ঢাকা, শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:১৬

প্রিন্ট

দৌলতদিয়ায় ফেরি পারে ভোগান্তি

দৌলতদিয়ায় ফেরি পারে ভোগান্তি
ফাইল ফটো
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

দৌলতদিয়ায় চলতি মাসের প্রথম দিন থেকে নদীতে অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি ও প্রচণ্ড স্রোতের কারনে ১ ও ২ নং ঘাট বিলিন হয়ে

গেছে। ৩ ও ৪ নং ফেরি ঘাট ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বেশ কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর ফের চালু হয়েছে।

৬টি ঘাট দিয়ে যানবাহন পরাপার হতে প্রায় প্রতিদিনই যেখানে যানজট লেগে থাকত। সেখানে দুটি ফেরি ঘাট নদীতে বিলীন হয়ে বর্তমানে এ ঘাট দুটি দিয়ে কোন ধরনের যানবাহন পারাপার হচ্ছেনা। ফলে ৪টি ঘাট দিয়ে ফেরি পারাপার হতে যানবাহন চালক ও যাত্রীদের রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে শিমুলিয়া কাঠালবাড়িতে নব্যতা সংকটের কারনে গত সপ্তাহ থেকে এ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ব্যহত হওয়ায় দৌলতদিয়ার প্রান্ত দিয়ে যানবাহনের বাড়তি চাপে প্রায় প্রতিদিনই এ রুটে যানজট থাকছেই । বিশেষ করে পণ্যবাহী ট্রাকের চাপ থাকছে বেশি । যে কারনে ২১ জেলার মানুষের একমাত্র নৌ-রুটে চলাচলকারীদের দুর্ভোগ ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বর্তমানে স্রোতের তীব্রতা কিছুটা কমে যাওয়ার কারনে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।রবিবার সকাল থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ-রুটে ১৯ টি ফেরির মধ্যে ১৫ টি ফেরি দিয়ে পারাপার স্বাভাবিক রাখা হয়েছে। লঞ্চ চলাচল করছে ৩০টি।

এলাকাবাসীরা বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটের ভাঙ্গন ঠেকাতে হলে জরুরি ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। তা না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে দৌলতদিয়া ঘাট নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। তাই ঘাট ও এর আশে পাশের এলাকা রক্ষায় স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহন করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান তারা।

যানবাহন চালকেরা বলেন ,ঘাট ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে তারা প্রতিদিনই দৌলতদিয়ায় যানজটের মধ্যে পরেন। এতে তাদের দুর্ভোগ ও ভোগান্তি হয়। বিশেষ করে কাঁচামালের যানবাহন চোলকদের বেশি সমস্যায় পড়তে হয়।তাদের দাবি দ্রুত ঘাট মেরামত করে ঘাটগুলোকে চালুর ব্যবস্থা করা হলে তাদেও সমস্যা ও ভোগান্তি কমবে।

যদিও ১ ও ২ নং ফেরি ঘাট ভাঙ্গনের কারনে পারাপার পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। তবে এ দুটি ঘাট পানি কমে গেলে ঘাট কর্তৃপক্ষ মেরামত করে চালুর ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অঙ্কুর বলেন, দৌলতদিয়া ঘাট নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষায় তারা কাজ করছেন। ৪টি ঘাটের ভাঙ্গন ঠেকাতে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার বস্তা বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এতে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করেছে।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ বলেন, এ রুটে ১৯ ফেরির মধ্যে বর্তমানে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। দুটি ঘাট ভাঙ্গনের কারনে বন্ধ থাকায় ৪টি ঘাট দিয়ে যানবাহন ও জনসাধারন পারাপার হচ্ছে। তবে ছয়টির মধ্যে ২ টি ঘাট না থাকায় এ গুলোতে যানবাহনের চাপ বেশি হচ্ছে।

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত