ঢাকা, সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৫৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৩:৪৫

প্রিন্ট

পেঁয়াজ নিয়ে লোকসানে খুচরা ব্যবসায়ীরা

পেঁয়াজ নিয়ে লোকসানে খুচরা ব্যবসায়ীরা
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

সারাদেশের মধ্যে রাজবাড়ীতে ১৩ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন হলেও এবছর অতিবৃষ্টিতে পেঁয়াজ নষ্ট ও ফলন কম হওয়া এবং বাজারে পেঁয়াজের সরবারহ না থাকায় বর্তমানে রাজবাড়ীতে কমছে না পেঁয়াজের দাম। এদিকে দাম বেশির কারণে ক্রেতা সাধারণের কাছে পেঁয়াজ কম বিক্রি হওয়ায় লোকসানে পড়ছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

অপরদিকে ক্রেতারা বলছেন, বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার পরও কমছে না পেঁয়াজের দাম। যে কারণে তারা অল্প পরিমানে পেঁয়াজ কিনছেন এবং বাজারে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকার মধ্যে হলে নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পেঁয়াজ কেনা সাধ্যের মধ্যে হত।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) সকালে রাজবাড়ী জেলা শহরের বড় বাজারে পুরাতন পেঁয়াজ (বড় ও ছোট) ১৯০ থেকে ২৩০, ছাল পচা ১৫০ থেকে ১৬০ ও নতুন পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে । বাজার দরের উর্দ্ধগতির কারনে ক্রেতাদের এক পোয়া, আধা কেজি (৫০০ গ্রাম) ও ১ কেজির বেশি পেঁয়াজ কিনতে দেখা যায়নি।

পেঁয়াজ চাষীরা বলেন, নতুন পেঁয়াজ বাজারে পুরোপুরিভাবে আসতে এখনো প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন সময় লাগবে। তখন পেঁয়াজের দাম কমবে। এতদিন বাজারে নতুন পেঁয়াজ উঠে যেতো। কিন্তু বৃষ্টির কারণে পেঁয়াজ রোপন করতে দেরি হওয়ায় বাজারে পেঁয়াজ উঠতে দেরি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমাদানি করা হচ্ছে। তারপরও দাম কমছে না। এভাবে চললে পেঁয়াজ খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে। চাহিদা বেশি থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় পরিমাণে কম পেঁয়াজ কিনছেন তারা। এখন পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার মধ্যে হলে সাধারণ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ভাল হয়। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, রাজবাড়ীর বিভিন্নস্থান থেকে তারা পেঁয়াজ কিনে এনে ব্যবসা করেন। কিন্তু বর্তমানে বাজারে পেঁয়াজের সরবারহ একবারেই কম এবং নতুন পেঁয়াজও তেমন পাচ্ছেন না। যে কারণে বাজারে পেঁয়াজের দর কমছে না। পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় তারা লোকসানে পড়ছেন। আগে যেখানে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ মন পেঁয়াজ বিক্রি করতেন, এখন সেখানে ২০ থেকে ৩০ কেজি বিক্রি করতে হিমশিম খাচ্ছেন। সারাদিন বসে থাকতে হয়। প্রতিদিনের খরচের টাকা যোগাতেও কষ্ট হয় ব্যবসায়ীদের। ক্রেতারা এসে দাম শুনে ২৫০ গ্রাম, ৫০০ গ্রাম, সর্বোচ্চ ১ কেজি পেঁয়াজ কিনছেন। এভাবে চলতে থাকলে তাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে জানান তারা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসবি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত