ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬ আপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:১৭

প্রিন্ট

কবে থেকে অন্য প্রাণীর দুধ খায় মানুষ?

কবে থেকে অন্য প্রাণীর দুধ খায় মানুষ?
জার্নাল ডেস্ক

বিবর্তনের প্রথম দিকে মানুষের অন্য প্রাণীর দুধ হজম করতে পারত না। কিন্তু এখন গরু, উট, বা ছাগলের দুধ খাচ্ছে মানুষ। কিন্তু কিভাবে মানুষের শরীরে অন্য প্রাণীর দুধ হজম করার ক্ষমতা তৈরি হলো? বলা হয় প্রাণীজ দুধের সাথে মানুষের সম্পর্ক হাজার হাজার বছরের পুরনো।

কিন্তু পৃথিবীতে এমন সংস্কৃতিও আছে, যেখানে প্রাণীর দুধ খাওয়ার কথা প্রায় অজানা। বলা হয়, মানব প্রজাতির ইতিহাস মোটামুটি তিন লক্ষ বছরের। সে তুলনায় দুধ খাবার ইতিহাসকে প্রায় নতুন বলা যায়।

মোটামুটি ১০ হাজার বছর আগেও মানুষ দুধ প্রায় খেত না। খেলেও তার সংখ্যা ছিল খুবই স্বল্প। প্রথম যে মানুষেরা দুধ খেতে শুরু করে তারা ছিল পশ্চিম ইউরোপের কৃষক ও পশুপালনকারী গোষ্ঠীর মানুষ। এরাই ছিল প্রথম মানুষ যারা গরু বা অন্য পশুদের পোষ মানিয়ে গৃহপালিত প্রাণীতে পরিণত করেছিল।

প্রথম দিকে যে ইউরোপিয়ানরা দুধ খেতো তাদের হয়তো প্রচুর গ্যাস হতো। কিন্তু কিছুদিন পর একটা বিবর্তন হয়ে ছিল। তারা মায়ের দুধ খাওয়া বন্ধ করে দিলেও তাদের দেহে ল্যাকটেজ উৎপাদন রয়ে গেল। ফলে তাদের দুধ খেলেও কোনো সমস্যা হত না।

আর এখন মানুষের দুধ হজম করার ক্ষমতা খুবই স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কিন্তু এমন অনেক জনগোষ্ঠী আছে যাদের দেহে ল্যাকটেজ তৈরি কম হয়।

এর কারণ আগে যারা পশুচারণ করত, গরু-ছাগল-ভেড়া পালত তাদের দেহে উচ্চ মাত্রায় ল্যাকটেজ পাওয়া যায়। কিন্তু যারা শিকারী এবং কোনো প্রাণী পালন করত না তাদের মধ্যে জিনের এই পরিবর্তনটি ঘটেনি। যেসব জনগোষ্ঠী শুধু চাষাবাদ করত কিন্তু কোনো পশুপালন করত না তাদের দেহেও ল্যাকটেজ তৈরি হত কম।

আরএ/

সূত্র বিবিসি বাংলা

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
close
close