ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ৩৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৯, ১১:৩৭

প্রিন্ট

নোয়াবের বিবৃতি

নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ কতটা বাস্তব?

নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ কতটা বাস্তব?
অনলাইন ডেস্ক

সংবাদপত্র মালিকরা সবসময়ই সাংবাদিক কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা ও বেতন-ভাতা দেয়ার চেষ্টা করেন। সেজন্য কষ্ট হলেও কিছু সংবাদপত্র সরকার ঘোষিত মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ বাস্তবায়নের চেষ্টা করে চলছে। কিন্তু বর্তমানে সংবাদপত্র শিল্প অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে কঠিন সময় পার করছে। এ পরিস্থিতিতে নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের অবাস্তব প্রস্তাব এ শিল্পের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করবে। নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এককভাবে মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ চূড়ান্ত করে এ-সংক্রান্ত সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। সুপারিশ চূড়ান্ত করার জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিও এ নিয়ে সম্প্রতি উদ্যোগী হয়েছে।

উল্লেখ্য, সপ্তম ও অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডও এভাবে একতরফাভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০০৮ সালের জুনে সপ্তম মজুরি বোর্ডে মূল বেতনের ৮৯ দশমিক ৬ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছিল। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে অষ্টম মজুরি বোর্ডে বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৭৫ শতাংশ। যে কারণে গুটিকয়েক পত্রিকা ছাড়া অন্যরা অষ্টম মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করতে পারেনি। এ অবস্থায় নবম (২০১৯) মজুরি বোর্ড কমিটি ৮৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধিসহ একটি অবাস্তব সুপারিশ জমা দিয়েছে, যা বাস্তবায়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। অতীতে যে গুটিকয়েক পত্রিকা মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করত, তারাও এখন বাস্তবায়ন করতে পারবে না। নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (নোয়াব) নবম মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ প্রস্তাব বাস্তব নয় বলে মত প্রকাশ করেছে।

সারা বিশ্বেই সংবাদপত্রের ছাপা কাগজের সংখ্যা কমছে। আমাদের দেশে ৮-১০ শতাংশ হারে প্রিন্ট মিডিয়ার সার্কুলেশন/বাজার সংকুচিত হচ্ছে। বেসরকারি বিজ্ঞাপন আয় বার্ষিক প্রায় ২০ শতাংশ হারে কমেছে। ২০১৯ সালেও সেই ধারা অব্যাহত আছে। তাছাড়া বর্তমানে ছাপা কাগজকে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে টেলিভিশন, অনলাইন পোর্টাল, সোস্যাল মিডিয়াসহ অন্যান্য মিডিয়ার সঙ্গে। বর্তমানে বিজ্ঞাপন বাজারের বড় এক অংশই সোস্যাল মিডিয়া, অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক ও গুগলের নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে সরকারি বিজ্ঞাপনের হার অত্যন্ত কম। তার পরও সরকারের কাছে ১৫টি পত্রিকার মোট প্রায় ৮৫ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিল পাওনা রয়েছে। পাশাপাশি বার্ষিক প্রায় ১০ শতাংশ হারে সরকারি বিজ্ঞাপন কমছে। এছাড়া সংবাদপত্রের প্রধান কাঁচামাল নিউজপ্রিন্টের ওপর আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট মিলে ল্যান্ডেড কস্ট হিসেবে প্রায় ২৬ শতাংশ পরিশোধ করতে হচ্ছে। সম্ভবত সংবাদপত্রই একমাত্র পণ্য, যার উৎপাদন খরচ পণ্যের বিক্রয়মূল্যের চেয়ে তিন গুণ বেশি। বিজ্ঞাপন আয় কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি পূরণ করে প্রতিষ্ঠান চালানো অসম্ভব পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নবম মজুরি বোর্ডের অবাস্তব সুপারিশ বাস্তবায়ন সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দেবে। সরকার ঘোষিত ৪২টি শিল্পের মধ্যে কোনো শিল্পেরই বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের মতো নয়।

সর্বশেষ দুটি সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডের বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ১৬৫ শতাংশ। সর্বশেষ দুটি সরকারি পে-স্কেলে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ ১৬১ শতাংশ। সর্বশেষ দুটি তৈরি পোশাক শিল্পের ওয়েজ বোর্ডে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ ৭০ শতাংশ।

অর্থাৎ সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। এর পরও নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড কমিটি নিম্নোক্ত অবাস্তব বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে:

বর্তমান অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের অধীনে সর্বনিম্ন গ্রেডের (গ্রেড-৬: পিয়ন, দারোয়ান, মালি) মোট বেতন ২০ হাজার ২৩১ টাকা। যেখানে একই রকম কাজের জন্য বর্তমান সরকারি বেতন স্কেলে সর্বনিম্ন গ্রেডের (গ্রেড-২০) মোট বেতন ১৫ হাজার ৩৫০ টাকা। অর্থাৎ সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন সরকারি বেতন স্কেলের তুলনায় প্রায় ৫ হাজার টাকা বেশি। আর ব্যতিক্রম ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় সর্বনিম্ন গ্রেডের মোট বেতন গড়ে ১০-১২ হাজার টাকার বেশি নয়। এ অবস্থায় নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে সর্বনিম্ন (গ্রেড-৬) গ্রেডের বেতন ৩৫ হাজার ৬৭০ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একেবারেই অবাস্তব মনে করে নোয়াব।

অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী একজন রিপোর্টার গ্রেড-৩-এ যোগদান করেন ৩৮ হাজার ৭৩ টাকা বেতনে। যেখানে বর্তমান সরকারি বেতন স্কেলের অধীনে সেরা ছাত্ররা একজন সিভিল ক্যাডার শুরুতে গ্রেড-৯-এ যোগদান করেন ৩৫ হাজার ৬০০ টাকা বেতনে এবং একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শুরুতে গ্রেড-৮-এ যোগদান করে মোট বেতন পান ৩৭ হাজার ১৫০ টাকা। অর্থাৎ এখানেও সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অনুসারে একজন রিপোর্টার একজন সরকারি প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তার চেয়ে প্রায় ২ হাজার ৪৭৩ টাকা বেশি বেতন পাচ্ছেন। আর ব্যতিক্রম ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোয় এই লেভেলের মোট বেতন গড়ে ২৫-৩০ হাজার টাকার বেশি নয়। এ অবস্থায় নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে গ্রেড-৩-এর একজন রিপোর্টারের শুরুর বেতন ৬৭ হাজার ১১২ টাকা সুপারিশ করা হয়েছে। এই বেতন দেয়া যেকোনো সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের জন্য অসম্ভব ব্যাপার।

কেননা, সরকার সংবাদপত্র শিল্পে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য মজুরি বোর্ড ঘোষণা করে। আর সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব আয় বাড়িয়ে এই মজুরি বোর্ডের ব্যয়ভার বহন করতে হয়। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ সহায়তা ও অনুদান থাকে না। উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ-সুবিধাও থাকে না। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এবং ডিজিটাল মিডিয়ার যুগে চাইলেই সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারে না।

বিবিএস ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড বাস্তবায়নের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ৩৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এই সময়ে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অনুসারে শুধু একটি করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট হিসাব করলেও প্রায় ২৮ দশমিক ৮০ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে। বাস্তবে বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ আরো অনেক অনেক বেশি। যোগ্য কর্মীদের ধরে রাখতে বা চাকরিতে উৎসাহিত করতে অনেক সময় অতিরিক্ত বেতন বাড়াতে হয়। তাই নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে ১০-১২ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধি বাস্তব নয় বলে নোয়াব মনে করে।

এছাড়া নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে এমন কিছু বিষয় ও সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, যেগুলোও রুগ্ন সংবাদপত্র শিল্পের জন্য বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। যেমন—

* সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে গ্রেড সংখ্যা ৬টি। সরকারের জাতীয় বেতন স্কেলে ২০টি। ব্যাংক-বীমাসহ দেশের অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রেডের সংখ্যা ১৮ থেকে ২২টি পর্যন্ত। সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে গ্রেড সংখ্যা কম থাকার কারণে প্রতিষ্ঠান চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

* বাংলাদেশ শ্রম আইনের ২(১০) ধারায় প্রতি বছর চাকরির জন্য একটি গ্র্যাচুইটির বিধান আছে। অন্যান্য শিল্পেও গ্র্যাচুইটি বছরে একটির বেশি নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান শ্রম আইনের এ বিধানও অনুসরণ করে না। সেখানে মজুরি বোর্ডে প্রতি বছরের জন্য দুটি গ্র্যাচুইটির বিধান একটি অবাস্তব আর্থিক চাপ।

* ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪ অনুযায়ী যার আয় তাকেই আয়কর বহন করার নিয়ম। কিন্তু সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড অনুসারে সংবাদপত্রের সব সাংবাদিক ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয়কর সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান থেকে দিতে হয়। সরকারিসহ অন্য সব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা নিজে তার আয়কর প্রদান করেন। দেশে এমন কোনো আইন থাকা উচিত নয়, যেটা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য নয়।

* নবম সংবাদপত্র ওয়েজ বোর্ডে বাড়ি ভাড়া দেয়া আছে ৬৫ শতাংশ। কিন্তু ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স ১৯৮৪-এর বিধি ৩৩(এ) অনুযায়ী বাড়ি ভাড়া ৫০ শতাংশ আয়করমুক্ত। অবশিষ্ট ১৫ শতাংশ ব্যক্তির আয় হিসেবে ব্যক্তিখাতের আয়করের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

* সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে তিন বছর পরপর এক মাসের মোট বেতন ও ৩০ দিনের বিনোদন ছুটির বিধান রাখা হয়েছে। সরকার ঘোষিত অন্যান্য শিল্পে এ সুবিধা নেই।

* এছাড়া কিছু প্রান্তিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, যেগুলো বাস্তব নয় বা কেউ বাস্তবায়ন করে না, সেগুলো ওয়েজ বোর্ড থেকে বাদ দেয়া জরুরি। যেমন: দায়িত্ব ভাতা, আপ্যায়ন ভাতা, কারিগরি ভাতা, চক্ষু ঝুঁকি ভাতা, কেমিক্যাল পয়জনিং ভাতা, আউটফিট ভাতা, পোশাক ও ধোলাই ভাতা ইত্যাদি।

* সংবাদপত্র সেবা শিল্প হওয়া সত্ত্বেও এর করপোরেট ট্যাক্স ৩৫ শতাংশ।

* সংবাদপত্র শিল্প ভ্যাট অ্যাক্ট ১৯৯১-এর শিডিউল-২-তে (অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেবার তালিকায়) থাকার পরও ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হচ্ছে।

* ভ্যাট অ্যাক্ট ১৯৯১-এর ৫৩ (কে) অনুসারে সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর ৪ শতাংশ টিডিএস/এআইটি দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে উৎসস্থলে ৫ শতাংশ টিডিএস দিতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৯ শতাংশ টিডিএস দিতে হচ্ছে। অথচ অনেক সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশই ৯ শতাংশ হয় না।

বিগত সপ্তম ও অষ্টম ওয়েজ বোর্ডে নোয়াব সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করলেও নোয়াব সদস্যদের অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়। সব মজুরি বোর্ডেই উল্লিখিত বিষয়গুলো নোয়াব থেকে তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা না করে প্রায় একতরফাভাবে মজুরি বোর্ড ঘোষণা করা হয়েছে। নোয়াবের প্রত্যাশা ছিল, এবার নবম মজুরি বোর্ড প্রণয়নের সময় অন্তত মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম আলোচনার মাধ্যমে হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নবম মজুরি বোর্ডের ক্ষেত্রেও এ অভিজ্ঞতা ভিন্ন হয়নি।

সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের মতামত বিবেচনায় না নেয়ায় মজুরি বোর্ড শুধু বেতন-ভাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। যা দিন দিন এ শিল্পকে রুগ্ণ করছে। অবাস্তব আর্থিক চাপ সামলাতে না পেরে প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মী সংখ্যা কমানো, ওয়েজ বোর্ড না দেয়া বা আংশিক দেয়া এবং সর্বোপরি প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর্যায়ে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।

সর্বশেষ (০৩-০৬-২০১৯) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের নিরীক্ষা শাখার প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা দেশে মোট ৬৮৪টি (ঢাকা ৩৪৬ + মফস্বল ৩৩৮) পত্রিকার মধ্যে ১৫৮টি (ঢাকা ১০৯ + মফস্বল ৪৯) (প্রায় ২৩ শতাংশ) পত্রিকা অষ্টম মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করেছে। যদিও এ প্রতিবেদনের সঙ্গেও বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায় না। নোয়াবের জানামতে, অল্প কিছু সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানই কেবল পুরোপুরি মজুরি বোর্ডের রোয়েদাদ বাস্তবায়ন করে।

তাই নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারির আগে মালিক-সাংবাদিক উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত রোয়েদাদ ঘোষণা দেয়া প্রয়োজন। একটি শিল্পের ভালো থাকার সঙ্গে ওই শিল্পে কর্মরত কর্মীদের ভালো থাকা নির্ভরশীল।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত