ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ৩১ মে ২০২০, ১৬:১৯

প্রিন্ট

ভাড়া যুক্তিসঙ্গতই হয়েছে, দাবি কাদেরের

ভাড়া যুক্তিসঙ্গতই হয়েছে, দাবি কাদেরের
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি‌কে যুক্তিসঙ্গত ব‌লে দা‌বি ক‌রে‌ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক প‌রিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কা‌দের। রোববার রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় সরকারি বাসভবন থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে ভিডিও কনফারেন্স এ কথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন দেশ সংকটকাল অতিক্রম করছে। আপনারা জানেন পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি বা সমন্বয় একটি কমিটি কাজ করছে। শনিবার বিআরটিএ-তে যে কমিটি সুপারিশ করেছে, যেহেতু অর্ধেক যাত্রী পরিবহন চলবে সেজন্য জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ‌্য বিবেচনায় তারপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যানবাহন ও টার্মিনাল জীবানুমুক্ত করার বিষয়ে জড়িত। নানান দিক পর্যালোচনা করে এ কমিটি ৮০শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি শুধু করোনা কালের জন্য সমন্বয়ের সুপারিশ করেছে।

তি‌নি ব‌লেন, আমরা মনে করি এটা দেশের জনগণের জন্য বাড়তি চাপ চাপ তৈরি করবে। সরকারকে যেমন যাত্রীর স্বার্থ দেখতে হবে তেমনি পরিবহন খাতকেও সহযোগিতা করতে হবে। অন্তত তাই জনগণ তথা যাত্রীদের এই মুহূর্তে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব যেটা ৮০ ভাগ করা হয়েছে, সেটা কমিয়ে যুক্তিসঙ্গত একটি হার নির্ধারণ করা হয়েছে মন্ত্রণালয় হতে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণপরিবহনে ভাড়া সমন্বয় যে প্রস্তাব বিআরটিএ স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করেছে, তার জন প্রতিক্রিয়া কিন্তু নেতিবাচক। মালিকদের দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় কিংবা বিআরটিএ কোন প্রকার করতে পারেনি, বিকল্প প্রস্তাব দেয়নি। আমি মালিক সমিতি এবং শ্রমিক নেতাদের সাথে কথা বলে সমাধানে আসার চেষ্টা করি। এ সকল বিষয় পলিসি সাপোর্ট আপনাদের কাছ থেকে প্রত্যাশা করি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল থেকে সরকার গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সীমিত আকারে এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করে গাড়িচালনায় বাস মালিকরা সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সরকারকে। শর্ত অনুযায়ী বাসের অর্ধেক আসনে যাত্রী পরিবহন করা হবে। অর্ধেক আসন খালি থাকবে।

তিনি বলেন, এটা সত্য যে পরিবহনসমূহ দুই মাসের অধিক বন্ধ ছিল। দেশের অন্যান্য সকল খাতের সাথে এই খাতও ক্ষতিগ্রস্ত। সর্বশেষ ২০১৬ সালের মে মাসে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলমান বাস মিনিবাস সমন্বয় করা হয়েছিল ২০১৫ সালে। সরকার জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে মালিকদের দাবি সত্ত্বেও ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দেয়নি। যদিও ২০১৯ সালে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব তৈরি হয়ে অপেক্ষমাণ রয়েছে সেটা আমরা পরে দেখব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে।

তি‌নি ব‌লেন, এখন যে ভাড়া সমন্বয় করা হচ্ছে এটা নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া আছে। আমি মনে করি এই বিষয়ে পরবর্তীতে যখন পরিস্থিতি বদলাবে তখন এ বিষয়টা পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। এটা নিয়ে মানুষের সমালোচনা আছে যে ভাড়া আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে কি না। সে সন্দেহ অবশ্যই দূর করতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/টিও/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত