ঢাকা, বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:১৮

প্রিন্ট

ব্যর্থতা স্বীকার করলেন কাদের

ব্যর্থতা স্বীকার করলেন কাদের
ফাইল ফটো
নিজস্ব প্রতিবেদক

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সড়কে এখনো শৃঙ্খলা আসেনি। এটা আমি স্বীকার করছি। সড়কে অতটা শৃঙ্খলা আসেনি। যার জন্য দুর্ঘটনা, যানজট এই বিষয়গুলো এখানো রয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় আমরা ভালো করার চেষ্টা করছি। এখানে সফলতা আছে এমন দাবি আমি আগেও করিনি এখনো করছি না। যেটা বাস্তবে সত্য নয় সে দাবি আমি কেনো করবো? এখানে ব্যর্থতা অবশ্যই আছে।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

খুব তাড়াতাড়ি সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভা আহ্বান করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খুব তাড়াতাড়ি সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভা দিচ্ছি। এ বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে কমিটি সাজাবো, নতুন ভাবে আবার প্রোগ্রাম নেয়ার চিন্তাভাবনা করছি। বিআরটিএতেও আমরা প্রোগ্রাম ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছি। সড়কের বিশেষজ্ঞদেরও সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভায় ডাকবো।’

ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল অংশ নিচ্ছে না বিষয়টা কিভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনে অংশ নেবে না, এখনো তারা ঘোষণা দেয়নি। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়তো এখনো রয়েছে। এরপর এ কথাটা বলা যাবে। আপাতত দাবি দাওয়ার প্রশ্নে কিছু কিছু স্টান্ড তো দলগতভাবে থাকতেই পারে।’

‘তবে, আমার মনে হয় তারেক রহমান কি বলবে তার উপর নির্ভর করছে ছাত্রদল। কারণ ছাত্রদল তারেক রহমানের অনুগত ছাত্র সংগঠন আগে থেকেই। কাজেই বিএনপির একটিং চেয়ারম্যান যেটি বলবে সেই সিদ্ধান্তেই অটুট থাকবে।’

বিএনপির অভিযোগ সরকার ডাকসু নির্বাচন একতরফা করবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখানে একতরফা বা নির্বাচনকে ইমপ্যাক্টড করা বা ইন্টারফেয়ারেন্সের সুযোগটা কোথায়? এখানে কি কেউ কেন্দ্র দখল করবে? এখানে কি কারচুপির সুযোগ আছে? কিভাবে হবে? ডাকসুর নির্বাচনতো প্রকাশ্যেই ভোটাভুটি হবে।’

‘ডাকসুতে তারা যদি পুরনো নালিশের অভিযোগটা নিয়ে আসে তাহলে এটা তাদের স্বভাব জাত বিষয়। তারা এটা আনবেই। হেরে গেলে তারা কারচুপির অভিযোগ আনবে এটাই স্বাভাবিক।’

সভায় আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়েও কথা বলেন সরকারের এই মন্ত্রী। বলেন, সৌদি আরবের সাথে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি দেশটির সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সরকারের তো স্টাট্রেজিক অবস্থান থাকবেই। কারণ আন্তর্জাতিক রাজনীতির কারেন্টস, ক্রস কারেন্টস আছে। এখানে সৌদি আরব মুসলিম বিশ্বের নেতা হিসেবে তাদের একটা প্রভাব তো মুসলিম বিশ্বে আছে। এখানে এলায়েন্সের বিষয় পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। কোথায় গেলে আমার সুবিধা বেশি, কার সাথে জোট বাধলে আমি আন্তর্জাতিকভাবে ডিপ্লোমেটিক দিক থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবো সেটাই আমরা বেছে নেব।’

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close