ঢাকা, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬ অাপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৩:০৯

প্রিন্ট

সন্তান নিয়ম না মানলে যা করবেন

সন্তান নিয়ম না মানলে যা করবেন
জার্নাল ডেস্ক

শৈশব থেকেই সন্তান যেসব অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে তার প্রভাব তার পরবর্তী জীবনেও পড়ে। অনেক অভিভাবক চান, শিশুকে ছোট থেকেই নিয়মানুবর্তী করে তুলতে। কিন্তু বয়সের কারণেই শিশুরা খুব একটা নিয়মের মধ্যে থাকতে চায় না। এর ফলে মা বাবা অনেক শাসনও করে থাকে। কিন্তু কিছু কৌশল জানলে বকা-মারধর না করেও সন্তানকে নিয়মের মধ্যে রাখা যায়।

কোনো সন্তানের পক্ষেই নিজেই নিজের ঠিক বা ভুলের পার্থক্য করা সম্ভব নয়। তাই ছোট থেকেই তাকে ঠিক-ভুলের ভিন্নতা শেখাতে হবে। কোন কাজ কখন করতে হয়, কোন কাজ পরে করলেও চলে এগুলো সম্পর্কে ধারণা তৈরি করে দিন ছোট থেকেই।

এছাড়াও সন্তানকে বুঝতে দিন সময়ের কাজ সময়ে না করলে কী কী সমস্যা হতে পারে এবং তাকে প্রতিটি কাজ নিয়ম মেনে সময় অনুযায়ী করতে হয় তা শেখান। এমন হলে ভবিষ্যতে কোনো নিয়ম ভাঙার আগে সন্তানও অনেক সচেতন থাকবে।

সন্তান কোনো কাজ নিয়ম মেনে করলে তার প্রশংসা করুন ও উৎসাহ দিন। সন্তান তার মা বাবার কাছ থেকেই প্রশংসা পেতে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে। এতে সে পরে এমন কাজ আরো করতে চাইবে।

সন্তানকে মারধর বা কঠিন শাসনে রাখলে তেমন কোনো উপকার পাওয়া যায় না। বরং এতে ফল বিপরীত হতে পারে। অতিরিক্ত শাসনে শিশু মনে মনে হতাশ হয়ে পড়ে। তার চার পাশ সম্পর্কেও খারাপ ধারণা গড়ে ওঠে।

তার সাথে সন্তান আত্মবিশ্বাস তো হারায়ই, সঙ্গে নিজের অভিভাবকের প্রতিও এক ধরনের ভীতির জন্ম হয়। সন্তানের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভয় আরো বাড়তে থাকে।

শিশুর স্কুলের বন্ধুদের সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। দিনের মধ্যে কিছুটা সময় কেবল সন্তানের জন্যই বরাদ্দ রাকুন। আপনার সঙ্গে শিশুর সম্পর্ক যত বন্ধুত্বপূর্ণ হবে ততই সে আপনার বাধ্য হবে এবং নতুন কিছু শিখতে চাইবে।

নিয়মানুবর্তী করে তুলতে হলে ছোট থেকেই কিছু কিছু কাজের দায়িত্ব সন্তানকে দিতে হবে। শিশুর সামনে কিন্তু তার অভিভাবকরাই সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তাই নিজেরাও তার সামনে এমন কিছু করবেন না, যাতে নিয়ম ভাঙার বিষয়টি আপনার কাছ থেকে শেখে। বরং সন্তানকেও বুঝতে দিন যে তার মা বাবাও যথেষ্ট নিয়মানুবর্তী।

কিন্তু কোনো ভাবেই সন্তানকে নিয়মে আনতে না পারলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। এক্ষেত্রে বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট ও মনোবিদের সাহায্যে সন্তানের সমস্যা কমাতে পারে।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close