ঢাকা, রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২০, ২২ চৈত্র ১৪২৬ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:২৩

প্রিন্ট

কারাগারে ধারণক্ষমতা ৪৬ হাজার, কারাবন্দি ৮৮ হাজার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কারাগারে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ বন্দি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জার্নাল ডেস্ক

ধারণক্ষমতার চেয়ে দেশের কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যা দ্বিগুণ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের কারাগারগুলোতে বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৬ হাজারের মতো, আর কারাগারে আছে ৮৮ হাজারের বেশি।

তিনি জানান, কারাগারগুলোতে আধুনিক করার জন্য কাজ করছি। এই বিশাল চাপ রয়েছে কারা অধিদপ্তরের ওপর। শুধু নতুন কারাগার তৈরি করছি না, যারা কারাগারে আসছেন তারা যেন এখান থেকে বের হয়ে অপরাধে না জড়ান সেজন্য তাদের নানাভাবে প্রশিক্ষত করে দক্ষ করে তুলছি। যেন এখান থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর তারা আর অপরাধে না জড়ান সেজন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নের পর চ্যাম্পিয়ন হচ্ছিলো। সেই অবস্থান থেকে আজ দেশকে আমরা বের করে নিয়ে আসতে পেরেছি। আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে, শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে এগিয়ে গেছি। আজ বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে। যখন এই কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছিলেন তখন অনেকেই হাসতো। আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন আজ বাংলাদেশ বিশ্বের উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে বানচাল করতে ২০১৩ সালে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু হয়েছিলো। তার আগে দেশে হত্যার হলি খেলা শুরু হয়েছিলো। আমরা এই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে পেরেছি। জঙ্গিবাদ দমন করতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে আমরা সক্ষম হয়েছি। বিভিন্ন ধরনের অপরাধ দেশে বেড়ে গিয়েছিলো, সেগুলো আমরা দমন করতে পেরেছি। মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন।

আসাদুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এসে এই ৩ ট্রামে পুলিশের জনবল বাড়িয়েছেন। প্রায় ৮২ হাজার জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা গ্রহণের পর পুলিশকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন, সাজাতে পেরেছি বলেই সন্ত্রাস দমন করতে পেরেছি। এখন ‘৯৯৯’ এ কল করলেই নানা রকম সেবা পাচ্ছে মানুষ। যার যেরকম সেবা দরকার সেই সেবা মানুষের দৌঁড় গোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সেই চ্যালেঞ্জে আমরা নিয়েছি। জনগণকে সম্পৃক্ত করে আমরা মাদককে নির্মূল না করতে পারলেও কন্ট্রোলে নিয়ে আসতে পারব। আমরা ক্ষমতায় আসার পর ই পাসপোর্ট সংযোজন করেছি। পাসপোর্ট নিয়ে আর কারো কখনো বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।

সাইবার ক্রাইম বন্ধে এনটিএমসি গঠণ করেছি। যে কারণে আমরা অপরাধীদের লোকেশন বের করতে পারছি। অপরাধীদের সনাক্ত করতে সুবিধা হচ্ছে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আরএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত