ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২৪ চৈত্র ১৪২৬ আপডেট : ১ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৮:১১

প্রিন্ট

সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত বাংলাদেশির অবস্থা আশঙ্কাজনক

সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত বাংলাদেশির অবস্থা আশঙ্কাজনক
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। ফাইল ছবি

Evaly

নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত বাংলাদেশিদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তিনি জানান, ওই বাংলাদেশির শরীরে কোনো ওষুধ কাজ করছে না। বুধবার সকালে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান টেলিফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার পর ড. মোমেন সাংবাদিকের বলেন, তারা (সিঙ্গাপুর সরকার) তার চিকিৎসায় (বাংলাদেশি) তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

প্রসঙ্গত, সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত বাংলাদেশির চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় সিঙ্গাপুর সরকার বহন করছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, সেখানে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে ভয়াবহ থেকে অধিকতর ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে প্রাণঘাতি করোনা। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে দুই হাজারেরও বেশি মানুষ। শুধুমাত্র চীনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার চার জনে।

চীনে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ১১ হাজার ৯৭৭ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন। মঙ্গলবার পর্যন্ত করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৩৭৬ জন।

চীনের সকল প্রদেশে শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাস। নিহতদের বেশিরভাগই হুবেই প্রদেশের। প্রদেশটির উহান শহর থেকেই বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। সংক্রমণ ঠেকাতে হাসপাতাল নির্মাণ, করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট আবিষ্কারে সরকারি অনুমোদনসহ সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আতঙ্কে জনমানবশূন্য ভৌতিক এলাকায় পরিণত হয়েছে চীনের একেকটি গ্রাম ও শহর। রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

উহান শহরে স্টেডিয়াম, কনফারেন্স সেন্টারসহ কয়েকটি ভেন্যুকে অস্থায়ী হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে। এই ভাইরাস মোকাবেলায় শুরু থেকে তাদের অবহেলা ও দুর্বলতার কথা স্বীকার করেছে চীন। হুবেই প্রদেশের রাস্তা-ঘাট, অলি-গলিতে ওষুধ ছিটাচ্ছে প্রশাসন। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন মেডিকেল স্টাফরা। যাদেরকে সন্দেহ হচ্ছে তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে।

এরই মধ্যে চীনের কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যৌথ গবেষণা চালিয়ে প্রাথমিক প্রতিষেধক তৈরি করেছেন। যেটি ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে প্রথমিক ধাপে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এটি যদি করোনা সারাতে কার্যকরীও হয় তবুও বেশ কয়েক মাস সময় লেগে যাবে।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, জাপান, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্তত ২৭টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত