ঢাকা, শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০২০, ১৩:৫২

প্রিন্ট

মধ্যরাতে শেবাচিমে ধর্মঘট, আড়াই ঘন্টা পর প্রত্যাহার

কাজে ফিরেছেন শেবাচিমের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি স্থগিত করে কাজে ফিরেছেন। প্রায় আড়াই ঘন্টা কর্মবিরতির পর কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কাজে যোগ দেন তারা।

হাসপাতালের মেডিসিন ইউনিট-৪ এর সহকারি রেজিস্ট্রার ডাঃ মাসুদ খানের বিরুদ্ধে কমিশন বানিজ্যের অভিযোগ এনে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্মঘট শুরু করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এতে চরম বিপাকে পড়েন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টায় ধর্মঘট শুরুর সাথে সাথে জরুরী বিভাগের প্রাধান গেটে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এক ঘন্টা পর হাসপাতালের পরিচালক ও কলেজের অধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অনুরোধ জানালে জরুরী বিভাগের তালা খুলে দেয় আন্দোলনকারীরা। পরে রাত ২টা ২০ মিনিটে ধর্মঘট স্থগিত করেন তারা।

ইন্টার্ন ডক্টর্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সজল পান্ডে ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, ডাঃ মাসুদ খান হাসপাতালের সামনের ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষের সাথে কমিশন বাণিজ্যে জড়িত। এক্ষেত্রে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি সম্প্রতি পরিচালক বরাবর লিখিতভাবে জানিয়ে এর প্রতিকার চান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। কিন্তু বেশ কয়েকদিন অতিবাহিত হলেও কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ধর্মঘটে নামেন তারা।

ডাঃ মাসুদ গত ২১ অক্টোবর ২ ইন্টার্ন চিকিৎসকের নাম উল্লেখ করে ৮/১০জন এমবিবিএস শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে তার উপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছিলেন পরিচালকের কাছে। এরপর ২২ অক্টোবর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দেয়।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতাল প্রশাসন। ৫ কর্মদিবসে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি। অভিযোগের বিচার না পাওয়া ও অভিযুক্তের বিচার দাবিতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে কর্মবিরতিতে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।

বাংলাদেশ জার্নাল/আর

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত