ঢাকা, রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭ আপডেট : ২৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২১, ২০:৩৩

প্রিন্ট

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ আসাদকে স্মরণ

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ আসাদকে স্মরণ
ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদী প্রতিনিধি

আজ শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি স্বৈরাচার আইয়ুব সরকারের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ১১ দফা আন্দোলনের হরতাল চলাকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন আসাদুজ্জামান।

সেই থেকে শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। আসাদ ছিলেন নরসিংদীর সন্তান। বুধবার ৬৯’র গণঅভ্যূত্থানের মহানায়ক আসাদুজ্জামান আসাদের ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী।

নিজ জেলায় শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় শহীদ আসাদকে স্মরণ করেছে নরসিংদীর বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে শহীদ আসাদের নিজ বাড়ি শিবপুরের ধানুয়ায় সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

এদিন সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী আসাদের কবরে ফুল দেয়াসহ তার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ আসাদের সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি মঞ্জুর এলাহী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির জাতীয় কমিটির সদস্য আমেনা আক্তার, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের আহ্বায়ক নাজমুল আলম সোহাগ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সদস্য সুমন আজাদ, আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদ, সৌমেন চন্দ্র পাঠাগার, শিবপুর সরকারী শহীদ আসাদ কলেজ শাখা ছাত্রলীগ ও ছাত্রদল, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল, শিবপুর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।

শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে আগতরা বলেন, শহীদ আসাদকে ভুলে যেতে বসেছে আমাদের প্রজন্ম। আমাদের কলেজটি শহীদ আসাদের নামে নামকরণ হয়েছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকেই আসাদের বাড়ি কোথায়, আসাদ কে, কী তার অবদান তা কিছুই জানে না। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। তরুণ প্রজন্মের অহংকার শহীদ আসাদ। তার বীরত্বগাথা ইতিহাস সামনে এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে তরুণ প্রজন্মের কাছে। তাই শহীদ আসাদের জীবনীসহ তার পুরো ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে লিপিবদ্ধ করা হোক।

শহীদ আসাদ ১৯৪২ সালের ৬ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুর থানার ধানুয়া গ্রামে। বাবার নাম আলহাজ মোহাম্মদ আবু তাহের। তিনি ১৯৬০ সালে মেট্রিক এবং ১৯৬৩ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে ইতিহাসে সম্মানসহ এমএ পাস করেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত