ঢাকা, বুধবার, ১২ মে ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ৮ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৫৫

প্রিন্ট

‘রফিকুল ইসলাম খুবই আবেগপ্রবণ মানুষ’

‘রফিকুল ইসলাম খুবই আবেগপ্রবণ মানুষ’
শিশুবক্তা মো. রফিকুল ইসলাম

গাজীপুর প্রতিনিধি

সরকারকে কটাক্ষ করে কারাবন্দি শিশুবক্তা মো. রফিকুল ইসলাম ঢাকার বারিধারা এলাকায় জামিয়া মাদানী মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেই মাদানী পদবী ব্যবহার করেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনি অনেক আবেগপ্রবণও। রফিকুল ইসলামের পরিচিত ও নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি মসজিদের ইমাম মুফতি হাফিজুল্লাহ কাসেমী এসব কথা জানান।

তিনি জানান, বিভিন্ন ইসলামিক ওয়াজ মাহফিল তথা অনুষ্ঠানে একই মঞ্চে তিনি হাফেজ ক্কারী মাওলানা রফিকুল ইসলামের সঙ্গে ওয়াজ/বয়ান করেছেন। তার সঙ্গে একসময় মাদানী পদবী ব্যবহার নিয়ে কথা হয়। তিনি ঢাকার বারিধারা এলাকার জামিয়া মাদানী মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেছেন। ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ও জমিয়ত নেতা আল্লামা নূর হোসেন কাসেমীর পরামর্শ নিয়ে নিজের নামের শেষে মাদানী পদবী লেখা শুরু করেন রফিকুল ইসলাম।

মুফতি হাফিজুল্লাহ কাসেমী আরো বলেন, যারা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন সাধারণত তারাই নামের শেষে মাদানী পদবী ব্যবহার করেন। এছাড়া যারা মিসরের আল আজহারী বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা পড়েছেন তারা আজহারী, যারা ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসায় পড়েছেন তারা নামের শেষে কাসেমী, হাটহাজারী মাদ্রাসায় যারা পড়েছেন তারা নামের শেষে হাবিবী পদবী ব্যবহার করে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।

তিনি বলেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েননি। তারপরও বারিধারা মাদানী মাদ্রসার মাদানী শব্দটি তার নামের শেষে যুক্ত করেছেন। রফিকুল ইসলাম খুবই আবেগপ্রবণ মানুষ। তিনি বিভিন্ন সময় বলতেন, দ্বিনের কথা বলবো, হক কথা বলবো এতে আমার যা হয় হোক।

প্রসঙ্গত, গত ১০ ফেব্রুয়ারি সরকারকে কটাক্ষ করে উস্কানিমূলক বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বুধবার গভীর রাতে নেত্রকোনার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন শিশুবক্তা খ্যাত রফিকুল ইসলাম। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

শনিবার সকালে গাজীপুর জেলা কারাগার থেকে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারাগারের জেলার মো. আবু সায়েম।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত