ঢাকা, শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ৩০ মিনিট আগে

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৩

প্রিন্ট

দুর্ভোগে পোশাকশ্রমিকরা

দুর্ভোগে পোশাকশ্রমিকরা
সংগৃহীত ছবি

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

করোনা সংক্রমণ রোধে আজ থেকে দেশে শুরু হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। যা চলবে আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত। সরকারঘোষিত এই নিষেধে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

শুধু খোলা রয়েছে জরুরি সেবাদানকারী পরিবহন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও পোশাকশিল্প কারখানা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় কারখানা কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিবহন সরবরাহের কথা থাকলেও পায়ে হেঁটে কারখানায় যেতে হচ্ছে অনেক শ্রমিকদের।

এতে করে একদিকে শ্রমিকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। অন্যদিকে অটোরিকশায় গাদাগাদি করে যাওয়ায় বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকি।

রহিমা নামের এক পোশাকশ্রমিক বলেন, লকডাউন হলেই অফিস যেতে সমস্যা হয়। গাড়ি পাওয়া যায় না, রিকশাভাড়া ডাবল হয়ে যায়। আমাদের খরচ বেড়ে যায়। কিন্তু কারখানা কিংবা সরকার তো এই টাকা আমাদের দেবে না।

অপর শ্রমিক জয়তুন বলেন, আমরা তো পোশাককর্মী। একই কারখানায় প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করি। সবাই পৃথক বাড়িতে ভাড়া থাকি। কার বাড়িতে কার যাতায়াত এটা বলা কঠিন। করোনা সংক্রমণের রোগী যদি কোনো এক বাড়িতে আসে তাহলে আমাদেরও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। করোনার ঝুঁকি নিয়েই ভয়ে ভয়ে কারখানায় যাচ্ছি। আমাদের সবার জন্য পরিবহন ব্যবস্থা নেই।

বস্ত্র ও পোশাকশিল্প শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন বলেন, বড় বড় কিছু কারখানার আগে থেকেই পরিবহনের ব্যবস্থা রয়েছে। যাতে করে দূরের শ্রমিকরা যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু নতুন করে কোনো কারখানা পরিবহনের ব্যবস্থা করেছেন বলে এখনও খবর পাইনি।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, পোশাক কারখানায় করোনা নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলে বিপর্যয়ের শঙ্কা রয়েছে। কাজেই নিজেদের ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হতে হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত