ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৩৮

প্রিন্ট

কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ভাড়াটিয়াকে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ভাড়াটিয়াকে হত্যা, স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি
বরিশাল প্রতিনিধি

তুচ্ছ ঘটনায় কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ভাড়াটিয়া এমএ মান্নান শরীফকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাড়ির মালিক আমিনুল ইসলাম মন্টু মিয়া ও তার স্ত্রী হাফিজা ইসলাম মেরীকে পৃথক ধারায় ১১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সাথে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি মন্টু মিয়ার বোন চায়না বেগমকে খালাশ দেয়া হয়েছে।

রোববার বিকেলে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কেএম শহিদ আহম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আমিনুল ইসলাম নগরীর বটতলা আদম আলী হাজির গলির বাসিন্দা ও মৃত আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে। রায় ঘোষণার সময় স্ত্রী হাফিজা ইসলাম মেরী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকলেও স্বামী আমিনুল ইসলাম মামলা দায়েরের পর থেকেই পলাতক রয়েছে।

স্ট্যানোগ্রাফার সাইফুল চৌধুরী নয়ন জানান, ২০১১ সালের ১৭ জুন মান্নান শরীফের মেয়ে রিমা আক্তার বাড়ির রান্নাঘরে রান্না করতে গেলে মন্টু মিয়া তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এতে মিনারা বেগম ও তার মেয়ে রিমা প্রতিবাদ করলে মন্টু মিয়া ও তার স্ত্রী মেরি তাদের মারধর করেন। মিনারা বেগমের স্বামী মান্নান বাধা দিলে মন্টু মিয়া কোদাল দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এছাড়া মেরী ও চায়না তাকে ধরে রেখে মন্টু মিয়াকে হামলায় সহায়তা করেন।

পরে আহত মান্নানকে উদ্ধার করে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৪ জুন সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মান্নানের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২৫ জুন কোতোয়ালি মডেল থানায় নিহতের স্ত্রী মিনারা বেগম ওই তিনজনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন।

একই বছর ২৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রহমান এজাহানামীয় ৩ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট জমা দেন। ট্রাইব্যুনাল ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ওই রায় ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত