ঢাকা, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১, ৪ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ৩০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১৫:৩১

প্রিন্ট

খালাতো ভাইকে সঙ্গে নিয়ে নিজের স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ

খালাতো ভাইকে সঙ্গে নিয়ে নিজের স্ত্রীকে রাতভর ধর্ষণ
ছবি প্রতীকী

শেরপুর প্রতিনিধি

পোশাক কারখানায় কাজ করার সুবাদে পরিচয়, এরপর প্রণয়। একটাসময় বিয়েও হয়। তবে হঠাৎ করেই নিজের স্ত্রীকে আপন খালাতো ভাইয়ের হাতে তুলে দেয় সেই স্বামী। এতে আপত্তি তুললে করা হয় বেধড়ক মারধর।

গত মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় আখড়াপাড়ায়। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলার চান্দেরনগর গ্রামে। তিনি গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। দেড় বছর আগে নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় আখড়াপাড়া গ্রামের মাহাবুর রহমানের ছেলে মাহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক রূপ নেয় প্রেমে। এরপর দুজনে বিয়ে করেন। গাজীপুরেই বাসা ভাড়া করে স্ত্রীকে নিয়ে থাকছিলেন মাহিদুল।

সম্প্রতি গাজীপুর থেকে মাহিদুল বাড়ি চলে আসে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে আনার কথা বলে বাঘবেড় গ্রামের বোন জামাই রহুল আমীন বাবুর বাড়িতে তোলে। সেই বাড়িতে মাহিদুল নিজের স্ত্রীকে একই গ্রামের আপন খালাতো ভাই আবদুল মালেকের হাতে তুলে দেয়।

এরপর রাতভর স্বামী মাহিদুল ও খালাতো ভাই মালেক মিলে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এতে আপত্তি জানালে দুজনই তাকে বেধড়ক মারধর করে। বুধবার ভোরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা গৃহবধূকে উদ্ধার করে।

এদিকে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ ওই এলাকা থেকে আসতে চাইলে অভিযুক্ত মালেকের বাবা ইব্রাহিম তার দোকানে আটকে মীমাংসার কথা বলে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এছাড়া ইব্রাহিম ও মাবর আলীকে আটক করে। তবে ঘটনার পর পালিয়ে গেছে মাহিদুল ও মালেক।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত