ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৪:৫৭

প্রিন্ট

আমের মুকুলে স্বপ্ন দেখছে চুয়াডাঙ্গার চাষিরা

আমের মুকুলে স্বপ্ন দেখছে চুয়াডাঙ্গার চাষিরা
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

সারিবদ্ধ গাছে সোনালি-হলুদ রঙের আমের মুকুলে স্বপ্ন দেখছে চুয়াডাঙ্গার আম চাষিরা। গত বছরের মতো এবারো তারা আশায় বুক বেঁধেছে মৌসুমি আম ব্যবসায় ভালো সফলতা পাওয়ার। এজন্য আগে ভাগেই নিজের আম বাগানে ভাল আম পাওয়ার জন্য গাছের একটু বাড়তি পরিচর্যা করছে চাষিরা।

অন্যদিকে যেসব ব্যবসায়ীরা মৌসুমি আম ব্যবসা করে তারা ভাল আমের জন্যে গ্রামে গ্রামে ভাল বাগানের খোঁজ করছেন।

শীতের প্রকোপ এবার কিছুটা কম থাকায় চুয়াডাঙ্গার বাগানগুলোতে বেশ আগেই এসেছে আমের মুকুল। জেলার চারটি উপজেলায় আম বাগানগুলোতে লক্ষ করলে উপভোগ করা যাবে ভরা মুকুলের মধু মধু ঘ্রাণ। যা আশপাশের সকলের মন কেড়ে নেয়। বাগানের মালিকেরা আমের ভালো ফলন পেতে ছত্রাক নাশক প্রয়োগসহ বাগান পরিচর্যায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায় , গত বছর চুয়াডাঙ্গা জেলাতে মোট ১৬শ ৯২ হেক্টর জমিতে ২২ হাজার ৯শ ৫৫ মে. টন আম উৎপাদন হয়েছিলো। এ বছর চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৭৩০ হেক্টর, আলমডাঙ্গায় ৩২০ হেক্টর, জীবননগরে ৪০০ হেক্টর ও দামুড়হুদায় ৩২৫ হেক্টরসহ মোট ১ হাজার ৭শ ৭৫ হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে।

গত বছরের তুলনায় এবারে ৮৩ হেক্টর জমিতে আবাদ বেশি হয়েছে। এবারের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ২৩ হাজার মে. টন।

চুয়াডাঙ্গার আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় ও আম লাভজনক হওয়ায় প্রতিবছরই আমের আবাদ বাড়ছে। চুয়াডাঙ্গা জেলাতে বেশি আমের আবাদ হচ্ছে- আমরুপালি, লেংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙা, মল্লিকা, থাই, গোপালভোগ, বারি ১০, দেশি, বেনারসি, সিতাভোগ। এর মধ্যে বেশিরভাগই আমরুপালি।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ভগিরথপুর গ্রামের আম চাষি বাবুল মিয়া বলেন, এবছর আম গাছে প্রচুর পরিমাণে মুকুল এসেছে। এখন পর্যন্ত আমের মুকুলে কোনো রোগ-বালাই আক্রমণ করেনি। কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ যদি না আসে আশা করছি প্রতিটি পর্যাপ্ত পরিমাণে আম ধরবে।

চুয়াডাঙ্গা সদরের গাড়াবাড়িয়া গ্রামের আম বাগানের মালিক রাসেল আহম্মেদ বলেন, বাগানের অধিকাংশ গাছই মুকুলে ছেয়ে গেছে। এবার কুয়াশা কম থাকায় মুকুল ভালো হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাঈম আল সাকীব বলেন, বর্তমানে জেলাতে আবাদি জমিতে আমের চাষ করছেন কৃষকরা। আমের ভালো ফলন পেতে আমরা কৃষকদের বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ে আমাদের অফিসাররা কাজ করছেন। আশা করা যায় গত বছরের থেকে এ বছর আমের উৎপাদন অনেক বেশি হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close