ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৭ মে ২০১৯, ২১:৪৮

প্রিন্ট

বাজেটে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা চায় পোশাক খাত

বাজেটে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা চায় পোশাক খাত
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে তৈরি পোশাক খাতের জন্য রপ্তানিতে ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে পোশাক খাতের তিন সংগঠন- বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিটিএমএ। সোমবার রাজধানীর গুলশানে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

‘প্রাকবাজেট আলোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক, বিটিএমএ সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন এবং বিকেএমইএ’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুনসুর আহমেদ।

তৈরি পোশাক খাত এখন সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে উল্লেখ করে রুবানা হক বলেন, গত এক মাসে ২২টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এসব কারখানার প্রায় সাড়ে ১০ হাজার শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা ক্রান্তিলগ্নে এসেছি। এখন সহায়তা না দিলে সমস্যায় পড়বো, তাই আগামী ৫ বছর রপ্তানিতে ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দরকার।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এটি পেলে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবো। ৫ শতাংশ হারে ১৪ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে সরকারকে। তবে আমরা এখন যে সহায়তা পাই সেটি বাদ দিলে এই ভর্তুকি দাঁড়াবে ১১ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে ঋণ পুনঃতফসিলিকরণের মেয়াদ দ্বিগুণ করারও দাবি জানিয়ে রুবানা হক বলেন, যেসব কারখানা ইচ্ছাকৃতভাবে খেলাপি নয়, তাদের উৎপাদন কাজে ফিরে যাওয়া এবং ব্যবসা সচল রাখার জন্য সুযোগ হিসেবে পুনঃতফসিলিকরণের মেয়াদ দ্বিগুণ করা উচিত। এতে কর্মসংস্থান বাড়বে, সর্বোপরি অর্থনীতি সুফল ভোগ করবে।

এদিকে বিজিএমই সভাপতি যেখানে ৫ বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ সহায়তার কথা বলেছেন, একই সময়ের জন্য উৎসে করকে চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য করার দাবি সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন বিকেএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি এম মনসুর আহমেদ।

তিনি বলেন, আমরা অনেক ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ প্রণোদনার পরিবর্তে বাস্তাবে পাই ৩ দশমিক ২ শতাংশ। ৫ শতাংশ হারে সব দেশের ক্ষেত্রে প্রত্যাবসিত মূল্যের ক্ষেত্রে প্রণোদনা চেয়েছি। আমেরিকার বাজারের ক্ষেত্রে আমরা ১৬ শতাংশ নগদ প্রণোদনা চাই। কারণ দেশটিতে জিএসপি নেই। আমাদেরকে অনেক বেশি কর দিতে হয়।

ইএবির প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ভ্যাট-ট্যাক্স নিয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। সরকার এক দিকে ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেসের’ উন্নতির কথা বলছে, অন্যদিকে পুলিশ যেখানে সেখানে আমাদের ট্রাক আটক করছে। এটা চলতে পারে না। এর একটা সুরাহা হওয়া প্রয়োজন।

ভুয়া ডিকলারেশনের মাধ্যমে আমদানি করা সুতা দেশীয় লুমগুলোকে অচল করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন।

তিনি বলেন, দেশে এখনো স্পিনিং ক্যাপাসিটির ৩৫ শতাংশ ব্যবহারের বাইরে অলস বসে আছে। অন্যদিকে উইভিং মিলগুলোকে উৎপাদন ৪০ শতাংশ কমাতে হয়েছে।

ডিপি/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত