ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : ৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২০, ১৬:৪২

প্রিন্ট

যথাসময়ে এসএসসি পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

যথাসময়ে এসএসসি পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) এবং উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। সবশেষ করোনা পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষাও হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। একইসঙ্গে আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

বুধবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে আরো পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তবে আমরা যথাসময়ে পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করবো। এজন্য যার যেখানে অ্যাকসেস আছে ধরে রাখতে হবে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। ’

‘প্রয়োজন হলে পেছানো হবে, তবে পরীক্ষা হবে’ উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি আগামী বছর করোনা পরিস্থিতি ভালো হবে। সে আলোকে পরীক্ষার জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আরো বলেন, ‘করোনার কারণে চলতি বছরের মাধ্যমিক পর্যায়ে নতুন পদ্ধতির এক মাসের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী, মাধ্যমিকে চারটি সাপ্তাহিক অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মাধ্যমিকে এবারের বার্ষিক পরীক্ষাও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছি, এ বছর কোন পরীক্ষা নয়। এই মূল্যায়নটা শিক্ষার্থীদের অবস্থাটা বোঝার জন্য। তাদের দুর্বলতা জানার জন্য। এ বছর বার্ষিক পরীক্ষা হচ্ছে না।’

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘মূল্যায়নের কোনো চাপ সৃষ্টি করা হবে না। সার্বিক দিক বিবেচনা করে এনসিটিবি ৩০ কর্মদিবসের সিলেবাস প্রণয়ন করেছে। এগুলো পরবর্তী ক্লাসের জন্য কাজ করবে। সব প্রধান শিক্ষকের নিকট এটি পাঠাবো হবে। এ সংক্রান্ত অ্যাসাইনমেন্ট পৌছে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীরা প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করবে। এগুলো অনলাইনেও নেয়া যাবে। এ সময়ে অন্য কোন কার্যক্রম চলবে না। শিক্ষার্থীদের যেখানে দুর্বলতা থাকবে, সেগুলো পরবর্তী শ্রেণির ক্লাসে পূরণ করা হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পর টেলিভিশন ও অনলাইনে ক্লাস চালু করেছি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও অনলাইনে ক্লাস শুরু হয়েছে। সবাই এর উন্নতিতে কাজ করছে। তবে এটা ঠিক, সবার প্রয়োজনীয় ডিভাইস না থাকায় সমস্যা থাকছে। তবে শিক্ষকরা মোবাইলে খোঁজ-খবর নিচ্ছে। সবার কাছে নতুন বই আছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সহযোগিতার মনোভাব ও ক্লাসে আগ্রহ আছে। একজনের ডিভাইসে বন্ধুরাও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যে অনেকে সিলেবাস শেষ করতে পারবে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী পাঠ্যবই পড়তে পারবে। তাদের মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হবে। যাদের অ্যাকসেস ছিল না, তাদেরও ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। নানাভাবে তাদের গ্যাপগুলো পূরণ করা হবে।’

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত