ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ১৬:৩৩

প্রিন্ট

প্রাথমিক শিক্ষকদের নারাজ করতে চাই না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক শিক্ষকদের নারাজ করতে চাই না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষকদের নারাজ করে কিছু করতে চাচ্ছি না। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব দেওয়া ছিল। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে যে ধারণা দিয়েছে, সে অনুযায়ী করেছি। পরে আমরা রিভিউ করেছি, আমরা একটি নিয়োগবিধি করছি। ১৯৮৫ সালে এটি শেষ নিয়োগবিধি করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক সমাপনীতে কেন শিক্ষার্থী কমেছে- জানতে চাইলে জাকির হোসেন বলেন, পরিবার পরিকল্পনার তথ্য অনুযায়ী আমাদের জন্মের হার কিছুটা কমেছে। সেই কারণে আস্তে আস্তে আমাদের ছাত্র-ছাত্রী কমে যাচ্ছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মঞ্জুর কাদির প্রমুখ।

আকরাম-আল-হোসেন বলেন, মানা না মানা পরের বিষয়। প্রধান শিক্ষকদের দুই স্কেল বলবৎ রয়েছে- ১১তম ও ১২তম। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ১১ ও প্রশিক্ষণ ছাড়াদের ১২। এ দুটো এক করে ১১ করা হয়েছে।

সহকারী শিক্ষকদের একই স্কেলে নিয়ে আসা হচ্ছে জানিয়ে সচিব বলেন, সহকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ১৪তম ও প্রশিক্ষণ ছাড়াদের ১৫তম গ্রেড। সেটা এক করে ১৩ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের ম্যানডেট হচ্ছে, সরকারের যখন তার নিয়োগ দেয় প্রশিক্ষণের দায়িত্ব সরকারের, তাহলে কেন শিক্ষক ভুগবে।

আদালতের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে গণশিক্ষা সচিব বলেন, আমরা আপিল করেছি। হাইকোর্টের রায় হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে যখন নিষ্পত্তি হবে, মামলা যদি সরকার রিভিউ করে, তখন জুডিসিয়াল প্রসেস অ্যাডজাস্ট হবে, তখনই কেবল বোঝা যাবে আদালত ভায়োলেট করছি কি-না। আমরা এখন তা করছি না।

কবে নাগাদ এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১১ ও ১৩তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন আইনি মতামত দিয়ে জারি করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত