ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ৫ মিনিট আগে

প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২১, ১৮:৩৯

প্রিন্ট

মোদির কুশপুতুল পোড়ালো ছাত্র অধিকার পরিষদ

মোদির কুশপুতুল পোড়ালো ছাত্র অধিকার পরিষদ
মোদির কুশপুতুল পোড়ালো ছাত্র অধিকার পরিষদ

ঢাবি প্রতিনিধি

বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে মোদির আগমনের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তার কুশপুতুল দাহ করেছে ঢাবি শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন ডাসে (ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্নাক্স) এ কুশপুত্তলিকা দাহ করেন তারা। এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে রোকেয়া হল, রাজু ভাস্কর্য ঘুরে ডাসে সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশে তারা গতকাল মোদি বিরোধী আন্দোলন ছাত্রলীগের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এর যথাযথ বিচার দাবি করেন।

রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি করার কথা থাকলেও ছাত্রলীগের সমাবেশ চলায় ডাস এর সামনেই এ সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন।

সমাবেশে ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানগণ এসেছেন আমরা তাদেরকে শুভেচ্ছা জানাই কিন্তু মোদির মত একজন সাম্প্রদায়িক নেতাকে আমরা স্বাগত জানাতে পারছি না। আমরা মোদিকে স্বাগত জানাতাম, যদি তিনি ভারতের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতেন এবং তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন করে আমাদের দেশে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ না করতেন।’

সমাবেশে সংগঠনের ঢাবি শাখার সভাপতি আখতার হোসেন বলেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষ মোদিকে স্বাগত জানায়নি। কিন্তু আওয়ামী সরকার মোদিকে আনতে মরিয়া হয়ে গেছে। গদি বাঁচাতেই মোদিকে প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আপনাদের গদি ধরে টান মারবে। এনআরসি, সিআইএ করে করে লাখ লাখ ভারতীয় বাংলাদেশে ঢুকানোর পায়তারা চলছে বলে মন্তব্য করেন আখতার।

এখন পর্যন্ত সীমান্তে মানুষ খুনের পাহাড় কি বন্ধ আছে? বাণিজ্যের অসমতা কি বন্ধ আছে? দেশের প্রতিটি সেক্টরে নগ্ন হস্তক্ষেপ সেটা কি বন্ধ আছে? প্রশ্ন তুলেন আখতার।

যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান বলেন, ‘মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান যদি একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জনগণের উপস্থিতি কোথায়। সেখানে তো দলের নেতাকর্মী ছাড়া আর কাউকে দেখি না। এটা হচ্ছে আওয়ামী লীগের সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান।’

তিনি বলেন, যেই ব্যক্তির হাতে আমার বোন ফেলানীর লাশের গন্ধ লেগে আছে, যেই ব্যক্তি কারণে গত দশ বছরে সীমান্তে ১ হাজার ২৩৬ জন মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, সেই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ জনগণ এদেশে আসতে দিতে পারে না।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত