ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮ আপডেট : ১০ মিনিট আগে

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২১, ১৯:৫১

প্রিন্ট

হেফাজতে ইসলামের নৈরাজ্যকর কর্মকাণ্ডে ঢাবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা

হেফাজতে ইসলামের নৈরাজ্যকর কর্মকাণ্ডে ঢাবি শিক্ষক সমিতির নিন্দা
ছবি: সংগৃহীত

ঢাবি প্রতিনিধি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে নৈরাজ্য, তাণ্ডব, হতাহত এবং বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. রহমত উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

তারা বলেন, গতকাল ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের পরিকল্পিত হামলা, অগ্নিসংযোগ, নৈরাজ্যসৃষ্টি, বঙ্গবন্ধুর মরাল ভাঙচুর এবং হতাহতের ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সেই সাথে এই ঘটনায় জড়িতদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শান্তির দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্রসমূহের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তবে বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করা যায় যে, কিছু উগ্র, ধর্মব্যবসায়ী স্বার্থান্বেষী মহল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনের বিরোধিতা ও প্রতিরোধের নামে বিভিন্ন ধরণের ষড়যন্ত্র ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়।

তারা বলেন, এই মহল বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে আবির্ভূত হয়ে ১৯৭১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতাকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে। এরা সবসময়ই ভারত বিরোধিতার নামে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াতে চায়।

তারা আরো বলেন, গতকাল পূর্বঘোষিত কোনো কর্মসূচি না থাকলেও পবিত্র জুমার নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন চিহ্নিত এ-গোষ্ঠী বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভেতরে ও ছাদে আগে থেকেই মজুদ করে রাখা ইটপাটকেল নিয়ে পুলিশ এ সাধারণ মুসল্লিদের আক্রমণ করে বসে। পুলিশের সাথে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয় বলে জানা যায়।

এরপর ঢাকায় সংঘর্ষের হতাহতের বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার করে হাটহাজারী থানা ভূমি অফিসসহ কয়েকটি সরকারি স্থাপনায় উাস্কানিমূলক হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনার জের ধরে হেফাজতের কর্মীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে অগ্নি সংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এ ছাড়া জাতির পিতার ম্যুরাল ভাঙচুর এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বিভিন্ন ফেস্টুন ও ব্যানারে অগ্নিসংযোগ করে। আহতদের সুচিকিৎসা করে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানান সংগঠনটি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত