ঢাকা, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

তানভীর মোকাম্মেলের ‘মতুয়ামঙ্গল’ নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভালে

  বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৬, ২০:২৭

তানভীর মোকাম্মেলের ‘মতুয়ামঙ্গল’ নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভালে
ছবি: সংগৃহীত

মতুয়া সম্প্রদায় নিয়ে ‘মতুয়ামঙ্গল’ নামের যে প্রামাণ্যচিত্রটি তানভীর মোকাম্মেল বানিয়েছেন, সেটি নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভালে সেরা প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে।

তানভীর মোকাম্মেল জানিয়েছেন, আগামী অগাস্টে এই উৎসব হবে।

'মতুয়ামঙ্গল' প্রামাণ্যচিত্রে নির্মাতা তুলে ধরেছেন মতুয়া জনগোষ্ঠীর জীবন ও মতুয়া ধর্মের দার্শনিক দিক।

'মতুয়ামঙ্গল' এক ঘন্টা ৪৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের গবেষণামূলক একটা প্রামাণ্যচিত্র। সিনেমার শুটিং বাংলাদেশ ও ভারতে হয়েছে। সিনেমার চিত্রগ্রাহক ছিলেন রাকিবুল হাসান। সম্পাদনা করেছেন মহাদেব শী।

ভাষ্যপাঠে কণ্ঠ দিয়েছেন চিত্রলেখা গুহ। আবহসঙ্গীতে ছিলেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু। শিল্প-নির্দেশক ছিলেন উত্তম গুহ।

সিনেমাটি তৈরি হয়েছে মতুয়াদের গণঅর্থায়নে।

সিনেমার জন্য এই বিষয়টি বেছে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে নির্মাতা মোকাম্মেল বলেন, "বাংলাদেশ ও ভারত মিলে প্রায় দুই কোটি মতুয়া রয়েছে। নিম্নবর্ণের বলে এদেরকে দীর্ঘকাল অবহেলা করা হয়েছে। এদের কথা কেউই তেমন বলে না। একজন শিল্পী হিসেবে আমি মনে করি আমার কাজ হচ্ছে ভাষাহীনদের কণ্ঠে ভাষা যোগানো। যাদের কথা কেউ বলে না তাদের কথা বলা। সে কারণেই আমি এই 'মতুয়ামঙ্গল' চলচ্চিত্রটি করতে চেয়েছিলাম।"

মোকাম্মেল আরও বলেন, "চলচ্চিত্রটি তৈরি করতে যেয়ে আমি যতই গবেষণা ও মেলামেশার মাধ্যমে মতুয়া সম্প্রদায় সম্পর্কে জানতে পেরেছি ততই মুগ্ধ হয়েছি। মতুয়া ধর্ম খুবই মানবতাবাদী এক ধর্ম। এক পরিশ্রমী জাতির ধর্ম। উচ্চবর্ণের মানুষেরা তাদেরকে নানাভাবে হেয় ও বঞ্চিত করেছে। কিন্তু তারা কখনোই কোনো প্রতিশোধ নিতে চাননি। বরং শিক্ষা ও চেতনা বৃদ্ধির মাধ্যমে তারা তাদের সম্প্রদায়ের উন্নতি ঘটাতে চেয়েছেন। মতুয়াদের এই দিকটা আমার খুবই ভালো লেগেছে এবং 'মতুয়ামঙ্গল' প্রামাণ্যচিত্রটা তৈরি করতে পেরে আমি ও আমার ফিল্ম ইউনিট খুবই আনন্দ পেয়েছি।"

উৎসবের একই ক্যাটেগরিতে আরও মনোনয়ন পেয়েছে বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী সন্দীপ মিস্ত্রীর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘বাসন্তী’।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত