ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৪৫

প্রিন্ট

ইউটিউব থেকে লাখ টাকা কামাবেন যেভাবে

ইউটিউব থেকে লাখ টাকা কামাবেন যেভাবে
ফিচার ডেস্ক

ভিডিও আদান-প্রদান করার ওয়েবসাইট ইউটিউব। বর্তমান ইন্টারনেট জগতে অত্যান্ত জনপ্রিয় প্লাটফর্ম এটি। ইউটিউব ভিডিও পর্যালোচনা, অভিমত প্রদানসহ নানা প্রয়োজনীয় সুবিধা দিয়ে থাকে। বর্তমানে অনেকে ইউটিউবকে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম হিসেবেও নিয়েছে। অনেকের আয়ের মূল উৎস এই ইউটিউব।

অন্যান্য ইউটিউবারদের মতোই একজন জার্মানির আলেক্সিবেক্সি। যার আসল নাম আলেক্সান্ডার ব্যোম। তিনি পুরো সময়ে ইউটিউবে কাজ করেন। ব্যোম তার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে এবং বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে ভালোই আয় করেন।

বর্তমানে ব্যোম এক ইলেকট্রনিক দোকানের ইউটিউব চ্যানেলের হয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। ব্যোম-এর জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে সেই কোম্পানি পণ্য বিক্রি করতে চায়। ব্যোম নিজে প্রায় ১০ বছর ধরে ইউটিউব থেকে আয় করে চলেছেন।

তিনি বলেন, ইউটিউবার হওয়া আসলে কোনো বড় ব্যাপার নয়। এর থেকে লাখ টাকা কামানোও সম্ভব। এই প্ল্যাটফর্মে প্রচলিত বাধাগুলি না থাকায় সুবিধা হয়। যেমন কোনো সম্পাদক বা টিভি কোম্পানির সম্মতি লাগে না। নিজের মর্জি মাফিক ভিডিও প্রকাশ করা যায়। আমাদের প্রজন্ম শুরু থেকেই এই স্বাধীনতায় অভ্যস্ত বলে মনে হয়। যা বলার, ইচ্ছামতো আমরা তা প্রকাশ করতে চাই।

একজন ইউটিউবারকে দেখতে ভালো হতে হবে এবং তার নিজস্বতা থাকতে হবে। এটাই তাদের মূলধন। তারা কিছু পরিবেশন করলে ইউজাররা তাদের কথা বিশ্বাস করবে। এমন কনটেন্ট বা ভিডিও ভালোভাবে প্রচার করে তার মাধ্যমে আয় করাই কি স্বাভাবিক নয়?

আলেক্সান্ডার ব্যোম মনে করেন, অনেকেই সেটা করে। আমি এমনটা করি না। আমি নিজের আগ্রহকে গুরুত্ব দেই। কেউ বিজ্ঞাপন নিয়ে এগিয়ে এলে আমি তাকে উৎসাহ দেই। তা সত্ত্বেও আমি মজার, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভালোবাসি, ছোট ফিল্ম বানাই। তাতে সাফল্য এলে ভালো, না এলেও কিছু আসে-যায় না।

ইউটিউব আসলে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয়। ৩০ বছর বয়সি হিসেবে সময় কি তার ফুরিয়ে আসছে? এ বিষয়ে আলেক্সান্ডার ব্যোম নিজে মনে করেন, কয়েক বছর ধরে আমিও এমনটা ভেবেছি। দুই বছর আগে আমাকে প্রশ্ন করলে আমি বলতাম, কোনোভাবে তরুণ থাকার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু এর মধ্যে সবারই বয়স বাড়ছে। মানিয়ে নেবার চেষ্টা যত কম করা যায়, ততোই ভালো।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ব্যোম প্রতি এক লাখ ক্লিকের জন্য আড়াই শ মার্কিন ডলার আয় করেন। ফলে মাসে আনুমানিক প্রায় ১০ হাজার ডলার আয় হয়। সেই সঙ্গে বিজ্ঞাপন বাবদ অর্থ তো রয়েছেই। ফলে তার ভালোভাবেই দিন চলে যায়।

বাংলাদেশ জার্নাল/এইচকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত