ঢাকা, মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৫১

প্রিন্ট

‘আমি মোহাম্মদকে (সা.) ভালোবাসি’ লেখা মাস্ক পরে সংসদে এমপি

‘আমি মোহাম্মদকে (সা.) ভালোবাসি’ লেখা মাস্ক পরে সংসদে এমপি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মহানবীর (সা.) অবমাননার প্রতিবাদে ‘আমি মুহাম্মদকে (সা.) ভালোবাসি’ লেখা মাস্ক পরে সংসদ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ কসোভোর সংসদ সদস্য ইমান আর রহমানি।

রোববার কসোভো সংসদের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নেন সেলফ ডিটারমিনেশন মুভমেন্ট দলের এই সংসদ সদস্য। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

এই মাস্ক পরার দুটি কারণ উল্লেখ করে আর রহমানি বলেন, ‘ফ্রান্সে নিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত ক্যান্ড্রিম গাসি মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্রসংবলিত একটি অগ্রহণযোগ্য প্রতিবেদন বিতরণ করেছেন। কিন্তু আমাদের প্রতিষ্ঠান তার এমন গর্হিত কাজের কোনো প্রতিবাদ করেনি।

আমার দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হলো, এ কথার জানান দেয়া যে আমরা এখন মহানবীর (সা.)-এর জন্মের মাস অতিবাহিত করছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাস্ক পরিহিত নিজের ছবি প্রকাশ করে আর রহমানি লেখেন, ‘প্রশান্তি ও কোমলতার সঙ্গে প্রতিবাদ। অবজ্ঞা বা অবমাননা করো না। মহানবী মুহাম্মদ (সা.) মানবজাতির মুক্তির দূত।’

সম্প্রতি ফ্রান্সের একটি বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন করেন ধর্মবিদ্বেষী এক শিক্ষক। এর জেরে চেচেন বংশোদ্ভূত এক কিশোর তাকে গলা কেটে হত্যা করে।

ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটিতে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। চালানো হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিমবিরোধী প্রচারণা। এতে ভয় ও উদ্বেগের মধ্যে প্রতিটি ক্ষণ কাটাচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিমরা।

এ ঘটনার পর কথিত ‘ইসলামী বিচ্ছিন্নতাবাদের’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, ‘এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। ফ্রান্সের সরকারি ভবনে মুহাম্মদকে (সা.) ব্যঙ্গ করে চিত্র প্রদর্শন বন্ধ হবে না।’

এরপর রোববার এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘আমরা কখনোই ইসলামী মৌলবাদীদের কাছে নতি স্বীকার করব না।’ ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’কে সমর্থনের নামে ইসলামবিরোধী ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন ও বক্তব্যকে উসকানি দিয়ে বলেন, ‘আমরা বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য গ্রহণ ও যুক্তিযুক্ত মতামতকে প্রতিহত করি না।’

তার এসব মন্তব্যে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আরব বিশ্বের দেশগুলোতে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়ে যায়।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত