ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০১৯, ১৪:৩৫

প্রিন্ট

ইরানের ট্যাংকার জব্দের ঘটনায় যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ

ইরানের ট্যাংকার জব্দের ঘটনায় যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ
অনলাইন ডেস্ক

উপসাগরে ইরানের ব্রিটিশ পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার জব্দের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। শুক্রবার ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ওই ট্যাংকারটি জব্দ করে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

স্টেনা ইমপেরিও নামের ওই ট্যাংকারটি আটকের ৪০ মিনিট পর ইরানের সেনাবাহিনী যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় আরেকটি ট্যাংকারকেও আটক করেছিল। যদিও পরে মেসদার নামে ওই নৌযানটিকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ট্যাংকার আটকের ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। নৌযানটি শিগগিরই ছেড়ে না দিলে পাল্টা ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলে ইরানকে সতর্কও করেছে তারা।

রয়টার্স জানায়, শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকালের দিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশের কিছু সময় পর ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর নৌযান ও হেলিকপ্টার স্টেনা ইমপেরিওকে গতিপথ বদলাতে বাধ্য করে। এর কিছুক্ষণ পর মেসদারকেও আটক করার খবর পাওয়া যায়।

ইরানের আধাসরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম পরে জানায়, তেহরান তেলবাহী ট্যাংকার মেসদারকে আটক করেনি। নিরাপত্তা ও পরিবেশ বিষয়ে সতর্ক করে সেটিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। নৌযানটি পরে নির্দিষ্ট যাত্রাপথে ফিরেছে এবং এর ক্রুরা ভালো ও নিরাপদ আছেন বলে জানিয়েছে মেসদারের ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান নরবাক।

স্টেনা ইমপেরিওর স্বত্তাধিকারী প্রতিষ্ঠান নর্দার্ন মেরিন ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, তাদের নৌযানটি সৌদি আরবের জুবেল বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। এর ২৩ ক্রুর নিরাপত্তার বিষয়টির ওপরই সবচেয়ে বেশ জোর দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।

এ সম্পর্কে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী জেরমি হান্ট বলেন, ‘এই আটক অগ্রহণযোগ্য। সমুদ্রে চলাচলের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং ওই অঞ্চলে যেন সব নৌযান নিরাপদে ও অবাধে চলতে পারে তা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।’

ইরান ট্যাংকারটিকে শিগগিরই ছেড়ে না দিলে পাল্টা ব্যবস্থারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সামরিক নয়, পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাজ্য কূটনৈতিক পদক্ষেপেই বেশি জোর দিচ্ছে বলেও ভাষ্য হান্টের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয় নিয়ে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: বিবিসি

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
close
close