ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৪০

প্রিন্ট

দাবি

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘভাতা ৫ হাজার টাকা!

সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘভাতা ৫ হাজার টাকা!
জার্নাল ডেস্ক

৪০ শতাংশ মহার্ঘভাতা (সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা) সহ ১১ দাবিতে শুক্রবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদ।

সংগঠনটির দাবিগুলো হলো- দ্রুত নবম পে-কমিশন গঠন এবং নবম পে-স্কেলের মাধ্যমে বেতন বৈষম্য নিরসন করতে হবে। তার আগে জীবনযাত্রার মান ও আয়-ব্যয়ের সঙ্গতি সামঞ্জস্য রাখতে ৩ থেকে ৮টি স্পেশাল ইনক্রিমেন্ট অথবা ৪০ শতাংশ মহার্ঘভাতা (সর্বনিম্ন ৫ হাজার টাকা) দিতে হবে। টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড, বেতন সমতাকরণ, ইবিক্রস, অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট এবং বিশেষ গ্রেড প্রদান পূর্বের মতো বহাল করতে হবে। সচিবালয়ের মতো পদ ও গ্রেড পরিবর্তন করতে হবে।

এছাড়া টাইমস্কেল ও সিকেলশন গ্রেড পুনর্বহাল, সচিবালয়ের মতো সচিবালয়ের বাইরে কর্মকর্তাদের পদ ও গ্রেড পরিবর্তন, আউটসোর্সিং নিয়োগ বিলুপ্তসহ কর্মরতদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং উন্নয় প্রকল্পে সাকুল্য বেতনভোগীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তরের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়ক শাহীনুর রহমান।

এ ছাড়া বর্তমান ২০ গ্রেডের পরিবর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারের প্রণয়ন করা ১৯৭৩ সালের আলোকে বেতন বৈষম্য দূরকল্পে ১০টি গ্রেড বাস্তবায়ন করতে হবে। ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বাড়িভাড়া বেসিকের শতভাগ ও স্বল্পমূলে রেশন দিতে হবে। ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বিনা সুদে ৫০ লাখ টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ দিতে হবে।

দাবির মধ্যে আরো রয়েছে- ব্লক পদে পদোন্নতির সুযোগ দিয়ে সকল পদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে নিয়োগবিধি একমুখী করা, অভিন্ন নিয়োগবিধিতে পদসংখ্যা বৃদ্ধিসহ কমন পদে আন্তঃদপ্তর বদলি চালু করতে হবে। শতভাগ পেনশন সমর্পন আগের মতো বহাল, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল বর্তমানে প্রচলিত ৫ থেকে ২৫-এর স্থলে ৫ থেকে ২০ বছর এবং পেনশনের হার সর্বশেষ আহরিত বেতনের ৯০ শতাংশের জায়গায় ১০০ শতাংশে উন্নীত করাসহ আনুতোষিক ১ টাকায় ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

সংগঠনটি তাদের দাবির মধ্যে আরো তুলে ধরেছে- গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ভাতা, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ঝুঁকি ভাতা এবং ওভারটাইম চালু করতে হবে। চিকিৎসা, শিক্ষা টিফিন ও যাতায়াত ভাতা বাস্তবসম্মতভাবে পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। আউটসোর্সিং নিয়োগ বিলুপ্তসহ কর্মরতদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে সাকুল্য বেতন ভোগীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তর করতে হবে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মো. শাহীনুর রহমান বলেন, 'সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মাঝে চলছে বিশাল বৈষম্য। আর এই বৈষম্যের যাতাকলে পিষ্ঠ ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের অধিকার আদায় করে বৈষম্যমুক্ত কর্মচারীদের অধিকার ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমাদের এ যাত্রা। এ যাত্রা সফল করার জন্য আমরা কর্মচারীদের মুক্তির সনদ হিসেবে বেছে নিয়েছি ১১ দফা দাবি।'

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত