ঢাকা, রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:৫০

প্রিন্ট

‘বাংলা সাহিত্যে নতুন সংযোজন মৌর্য উপন্যাস’

‘বাংলা সাহিত্যে নতুন সংযোজন মৌর্য উপন্যাস’
রাবি প্রতিনিধি

সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়কে নিয়ে লেখা ‘মৌর্য’ উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক বলেছেন, ‘মৌর্য উপন্যাসটি আমাকে স্তম্ভিত করেছে। উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন সংযোজন। রস ও সাহিত্যের সংমিশ্রন রয়েছে উপন্যাসটিতে। সাহিত্য পড়ে যে অমৃত স্বাদ পাওয়া যায় তা এই উপন্যাসটি পড়ে বোঝা যায়।

শুক্রবার বিকাল ৫টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন্স কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। কথাসাহিত্যিক আবুল কাশেমের লেখা এই উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে অন্য প্রকাশ।

হাসান আজিজুল হক আরও বলেন, উপন্যাসটির যে পটভূমি সেটি আজ থেকে ২৩শো বছরের আগের ঘটনা। লেখক বইটিতে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছে। বইটি পড়া মানে ইতিহাস পড়া নয়, বইটি খুুবই বিরল যা ওই কালের ঐতিহ্যকে বর্তমান কালের ঐতিহ্যকে সম্পৃক্ত করেছে এবং তার সৌরভ আমাদের মনে রয়ে যাবে বলে আমি আশা করছি।

উপন্যাসটিতে গ্রিক সম্রাট সেলুকাসের কন্যা হেলেনের সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তের বিয়ের গল্পের আড়ালে লেখক ভারতবর্ষ ও গ্রিসের নানা যুদ্ধবিগ্রহ, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, রাজনীতি, প্রেমসহ আধ্যাত্মিক শক্তির বাস্তব ও মানবীয় দিকের অবতারণা করেছেন। দুই হাজার তিনশো বছর পূর্বের সমৃদ্ধ প্রাচীন ভারত ও গ্রিসকে একসঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে উপন্যাসটিতে।

অনুষ্ঠানে হাসান আজিজুল হক বলেন, ‘এই উপন্যাসটি আমাকে স্তম্ভিত করেছে। উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে একটি নতুন সংযোজন। রস ও সাহিত্যের সংমিশ্রন রয়েছে উপন্যাসটিতে। সাহিত্য পড়ে যে অমৃত স্বাদ পাওয়া যায় তা এই উপন্যাসটি পড়ে বোঝা যায়।’

বাংলাদেশ চর্চা পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাজ্জাদ বকুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক সনৎ কুমার সাহা, কবি অধ্যাপক জুলফিকার মতিন, উপন্যাসটির লেখক আবুল কাশেম, অন্য প্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন জনতা ব্যাংক রাজশাহীর ডিজিএম তাপস কুমার মজুমদার। কথাসাহিত্যিক আবুল কাশেম ১৯৫৫ সালের ১ জুলাই কুমিল্লা সদর উপজেলার ঝাঁকুনিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় সম্মান ও গবেষণা বিভাগে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি চাকুরি জীবন শেষ করেন। বর্তমানে তিনি জনতা ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ডের একজন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার লেখা গ্রন্থের মধ্যে ক্যাপ্টেইন কক্স, দুভ‚ লোক, অনার্যজন, মিশিমার সুইসাইড নোট, অজেয় উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশ জার্নাল/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
close
close