ঢাকা, রোববার, ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে English

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২০, ২০:৫৯

প্রিন্ট

সাক্ষাৎকারে মো. মুসফিকুর

ঝড় শেষে দিন পরিষ্কার হবেই, এই প্রত্যয় নিয়েই এগুতে হবে

ঝড় শেষে দিন পরিষ্কার হবেই, এই প্রত্যয় নিয়েই এগুতে হবে

Evaly

জার্নাল ডেস্ক

করোনা পরিস্থিতির শিকার গোটা বিশ্ব। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও এখনো আবিষ্কার করতে পারেনি রোগটির প্রতিষেধক।নদীর পানির মতো নিজস্ব গতিবেগ ধরে রেখে সারা বিশ্বে বয়ে যাচ্ছে এই ভাইরাস। এ ভাইরাস যেন সভ্যতা আর উন্নত প্রযুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সমগ্র বিশ্ব ভ্রমণ করছে। ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি এবং নানা সংশয় তৈরি হচ্ছে আমাদের শিক্ষা ক্ষেত্রেও। শিক্ষাক্ষেত্র যখন অচল হয়ে যাবার পথে তাকে সচল রাখতে চালু হয়েছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।

শিক্ষার সার্বিক কার্যক্রম, উন্নয়ন, অনলাইন ক্লাসের সুবিধা-অসুবিধা এবং করোনার অবসর সময়ে করণীয় কাজসহ নানা প্রসঙ্গ নিয়ে বাংলাদেশ জার্নালের সাথে কথা বলেছেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক এবং বর্তমান এলিট ইংলিশ ক্লাবের অন্যতম উপদেষ্টা মো. মুসফিকুর রহমান।

সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ জার্নালের ডিআইইউ প্রতিনিধি ফাতেমাতুজ জোহরা

বাংলাদেশ জার্নাল: কেমন আছেন?

মো. মুসফিকুর রহমান: ভালো আছি।

বাংলাদেশ জার্নাল: বিশ্বব্যাপী মারাত্মক করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এই মহামারীর মধ্যে আপনারা কিভাবে সময় কাটাচ্ছেন?

মো. মুসফিকুর রহমান: করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের সব দেশ এবং সব দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে। বাংলাদেশও এর মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করেছে। সাধারণ মানুষের মতো আমরাও স্বাস্থ্য বিধি মেনে নিজ গৃহে অবস্থান করছি।তবে আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে না যায় সে কথা মাথায় রেখে শুরু করেছি অনলাইন ক্লাস। যেহেতু আমরা শিক্ষক, আমাদের সময় কাটানোর জন্য এর চেয়ে ভালো পথ আর নেই।আরো নানান বই যেগুলো ব্যস্ততার কারণে হয়ত শেষ করতে পারিনি সেগুলো এখন পড়ে সময় কাটাচ্ছি। করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ আপডেটটা রাখার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশ জার্নাল: শিক্ষার্থীরা কিভাবে এই সংকট কে শক্তিতে রূপ দিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে বলে আপনি মনে করেন ?

মো. মুসফিকুর রহমান: শিক্ষার্থীরা বয়সে তরুণ। তাদের মানসিক শক্তি অন্যান্যদের থেকে একটু বেশি। শারীরিকভাবেও তারা বেশি শক্তিশালী এবং সচেতন। শিক্ষার্থীরা যেহেতু তরুণ প্রজন্মের অংশ এবং তারা তথ্য প্রযুক্তির সাথে বেশি পরিচিত তারা সর্বশেষ তথ্যটা রাখতে পারে এবং সবাইকে সচেতন করতে পারে। যেহেতু তারা সব জানে সেহেতু তারা করোনা মোকাবেলায় সক্ষম। ইতিবাচক চিন্তার কোনো বিকল্প নেই। কোনোকিছুই দীর্ঘস্থায়ী নয়। ঝড় শেষে দিন পরিষ্কার হবেই। এই প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে শিক্ষার্থীদের।

বাংলাদেশ জার্নাল: করোনার কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম, তৈরি হচ্ছে সেশন জটের সম্ভাবনা। সেশন জট রোধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন কি না?

মো. মুসফিকুর রহমান: সবকিছু অনিশ্চিত, ধোঁয়াশার সময়ের মধ্যে আছি আমরা। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আছে তারা যেভাবে নির্দেশনা দিবে আমরা সেভাবেই এগিয়ে যাবো। আশা করছি শিক্ষার্থীদের কোনো সেশনজটে পড়তে হবে না। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য।

বাংলাদেশ জার্নাল: ঘরে বসেই কিভাবে একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করে পাঠ-ক্রিয়ায় এগিয়ে থাকতে পারেন?

মো. মুসফিকুর রহমান: এই পরিস্থিতিতে পড়াশুনার দায়িত্বটা আসলে আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর। তারা তাদের নিজ উদ্যোগে বাসায় থেকে পড়াশোনার সাথে যুক্ত থাকবে।তাছাড়া আমরা তো অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে তাদের সাথে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছি।

বাংলাদেশ জার্নাল: সাধারণ মানুষের জন্য আপনার বিশেষ কোনো বার্তা?

মো. মুসফিকুর রহমান: নতুন করে কিছু বলার নেই, সবাই সবকিছু জানে।অবশ্যই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সরকারের নির্দেশনা মেনে বাসায় অবস্থান করতে হবে। মানব জাতির ইতিহাসে এমন মহামারী দুর্ভিক্ষ দেখা দিবেই। ভেঙে পড়লে চলবেনা। সবাইকে থাকতে হবে খুব বেশি সচেতন। আশা করি, আমরা সবাই মিলে এই মহামারি কাটিয়ে উঠতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

বাংলাদেশ জার্নাল: বাংলাদেশ জার্নালের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মো. মুসফিকুর রহমান: বাংলাদেশ জার্নালকেও ধন্যবাদ

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

shopno
  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত