ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ৩৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ মার্চ ২০১৯, ১৫:৪২

প্রিন্ট

তবুও সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেড চাই

তবুও সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেড চাই
এ এম জিয়াউর রহমান

প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে কর্মরত আছি প্রায় ১৪ বছর। টাইম স্কেল ছিল ২০১৪ সালে এপ্রিলে। কিন্তু ৯ মার্চ, ২০১৪ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রধান শিক্ষকদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা দেয়ায় আর টাইমস্কেল পাইনি। জটিলতার কারণে ১০ বছরে উচ্চতর গ্রেড ও পাইনি। বর্তমানে তিন টাইম স্কেল প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক এবং আমি একই গ্রেডে বেতন পাচ্ছি। এখন যদি আমাদেরকে ১০ম গ্রেড দেয়া হয়, তাহলে নাকি এর উপর করেস্পন্ডিং স্কেল হবে না (সিনিয়র প্রধান শিক্ষকদের মতে)। সে মতে আমি ১০ম গ্রেডেই থেকে যাব। আবার উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির বিষয়ে অনেকের মত যখন থেকে ১০ম গ্রেড কার্যকর হবে তখন থেকে ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। সে হিসাবে উচ্চতর গ্রেডের উচ্চাশা দীর্ঘশ্বাসে পরিণত হচ্ছে।

অপরদিকে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দেয়া হলে,তিন টাইমস্কেল প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকগণ করেস্পন্ডিং স্কেল পেয়ে ৮ম গ্রেডে বেতন পাবেন। আমি সরাসরি প্রধান শিক্ষক হয়ে ১৫/২০ বছর চাকুরি করে বেতন পাব ১০ম গ্রেডে, আর আমার সহকারী শিক্ষক বেতন পাবেন ৮ম গ্রেডে। (যদি যোগদান থেকে চাকুরিকাল গণনা করা না হয়)।

এতকিছুর পরেও আমি চাই, সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেডেই বেতন নির্ধারণ করা হোক। এতে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদা সু-প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রধান শিক্ষকগণও খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে অনেক লাভবান হবে। কারণ আজ হোক, কাল হোক সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হবেই এবং তার জন্য নির্ধারিত একটি স্কেল থাকবে এবং এর প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। আর এভাবে প্রধান শিক্ষকদের মর্যাদা আরও একধাপ এগিয়ে যাবে এবং সরকারি হাইস্কুলের সাথে একটা সামঞ্জস্য বিধান হবে। তাই প্রধান শিক্ষকদের উচিৎ এই মুহুর্তে সহকারীদের ১১তম গ্রেড সমর্থন করা। এতেই মঙ্গল নিহিত। ধন্যবাদ।

লেখক: সহ সভাপতি বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close