ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : ১৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৩৬

প্রিন্ট

ধর্ষণ মামলার আসামি ওসি ও দুই এসআই

ধর্ষণ মামলার আসামি ওসি ও দুই এসআই
অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার ওসি ও দুই এসআইসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন এক নারী।

বৃহস্পতিবার ঢাকার তিন নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন। পরে বিচারক জয়শ্রী সমদ্দার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে তিন পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী মিয়া, এসআই আ স ম মাহমুদুল হাসান ও মোছা. লাইজু।

এছাড়া বাকি আটজন হলেন মো. শফিকুল ইসলাম রনি, মো. সাগর, মো. শামীম, মো. আলাউদ্দিন দেলোয়ার হোসেন, মো. হানিফ, মো. স্বপন, বিলকিস আক্তার শিলা ও ফারজানা আক্তার শশি।

মামলার এজাহারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারার অপহরণ এবং ৯(৩) ধারায় গণধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বর্ণনায় ওসি এবং দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ এবং গণধর্ষণের কোনো অভিযোগ নেই। মামলা না নিতে চাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, ভিকটিম দুই সন্তানের জননী তালাকপ্রাপ্ত হওয়ায় অভাব-অনটনের কারণে কাজের সন্ধান করেন। পূর্বপরিচিত আসামি শফিকুল ইসলাম রনি বাদীকে গত ১২ মার্চ অনলাইনে থ্রি-পিস ও শাড়ি কেনা-বেচার একটি প্রতিষ্ঠানে কমিশনে চাকরি দেয়ার কথা বলে করাতিটোলা ফারজানা আক্তার শশি ও বিলকিস আক্তারের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়।

এরপর তাদের সহযোগিতায় বাড়ির মালিকের ছেলে আসামি স্বপন তাকে ধর্ষণ করেন। বাদী ডাক-চিৎকার দিলে আসামি শশি ও শিলা তার গলায় বটি ঠেকিয়ে মেরে ফেলার এবং ধর্ষণের ভিডিও ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এরপর জীবন, বিপ্লব, হানিফ, সাগর ও আলাউদ্দিন বাদীকে মারধর ও বিবস্ত্র করে। তারাসহ আরো ১০-১২ জন ইয়াবা সেবন করে বাদীকে ধর্ষণ করে।

ওই ঘটনায় বাদী থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলে মামলা নিতে অস্বীকার করে পুলিশ। এরপর এসআই লাইজু বাদিনীকে প্রস্তাব দেন ওসি ওয়াজেদ, এসআই প্রদীপ কুমার ও আয়ান মামুদকে ১ লাখ টাকা ঘুষ দিলে ধর্ষণের মামলা হবে। না দিলে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হবে।

পরে গত ১৮ মার্চ ঘুষের টাকা না দিতে পারায় বাদীকে যৌনকর্মী সাজিয়ে আসামি শিলা ও শশিসহ আদালতে পাঠান ওসি ওয়াজেদ, এসআই, মাহমুদুল হাসান ও লাইজু। বাদীকে যৌনকর্মী সাজিয়ে আদালতে পাঠানো হলে ধর্ষণের ঘটনা চাপা পড়ে যায়।

ওই ঘটনায় বাদী নারী শিশু ট্রাইব্যাল এ মামলাটি দায়ের করেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/আরকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close