ঢাকা, সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৯:০৪

প্রিন্ট

‘রুম্পার মৃত্যুর পর থেকে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র পলাতক’

‘রুম্পার মৃত্যুর পর থেকে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র পলাতক’

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর বেসরকারি স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টির কিছু ছাত্র পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার বাবা পুলিশ কর্মকর্তা মো. রুককুন উদ্দিন।

তিনি বলেন, যদি সে (রুম্পা) আত্মহত্যা করত, তাহলে নিজের বাসায় থেকেই করতে পারত। বাড়ি থেকে দূরে গিয়ে করতে হতো না। শুনেছি যে বাড়ির ছাদের নিচে শারমিনের লাশ পাওয়া গেছে, সেই বাড়িতে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র থাকেন। তারা এখন নাকি পলাতক।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিদ্ধেশ্বরী এলাকা থেকে রুম্পার লাশ উদ্ধার করা হয়। শান্তিবাগের বাসা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের আয়েশা শপিং কমপ্লেক্সের পেছনে লাশটি পাওয়া যায়। এর পরেই চিকিৎসক জানিয়েছে ময়নাতদন্তে তাকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। ধর্ষণের পর হত্যার করে ছাদ থেকে লাশ ফেলে দেওয়া হয়। এতে তার শরীরের অনেক হাড় ভেঙে যায় ও মাথা থেতলে যায়।

রুম্পার বাবা পুলিশের পরিদর্শক রোকন উদ্দিন গনমাধ্যমকে বলেছেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সে আত্মহত্যা করতেই পারে না। এই হত্যাকাণ্ডে কয়েকজনকে সন্দেহ করছেন বলেও জানান রুম্পার বাবা। তারা তার মেয়ের পরিচিতদের মধ্যে। চার পাঁচ জনের নাম তিনি তদন্তকারীদের কাছে দিয়েছেন।

স্টাম্পফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও হত্যাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানবন্ধনে অংশ নিতে আসা সম্পার বন্ধু শারমিন আক্তার জানান, সে ছিল খুব শান্ত স্বভাবের। সব সময় ক্লাসে উপস্থিত থাকত। রাত জেগে বাসার বাহিরেও খুব একটা সময় দিত না। তাকে হত্যা করার জন্য কেউ ডেকে নিয়ে ছিল। তারপর সুযোগ বুঝে তাকে হত্যা করা হয়েছে। সে যদি আত্মহত্যাই করতে চায় তবে বাসার বাহিরে যাওয়ার দরকার ছিল না। এটা করার জন্য বাসার ভিতরেই যথেষ্ট সুযোগ ছিল।

রুম্পার মা নাহিদা আক্তার বলেছেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতেই পারে না। আমি আমার মেয়েকে ভালো করেই চিনতাম। সে আত্মহত্যাকে ঘৃণা করত। সব সময় হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করত।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আমরা হত্যাকান্ডটির রহস্য বের করার চেষ্টা করছি তবে এখন পর্যন্ত কুল-কিনারা হয়নি । সমস্যা হচ্ছে পাশাপাশি আরও দুটি বাড়ি রয়েছে সেখানে। এগুলোর যেকোনো একটি ভবনের ওপর থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ে সে। যেখানে লাশ পাওয়া গিয়েছে তার আশপাশের সব ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নেওয়া হয়েছে। পুলিশের নিয়মিত তদন্তের পাশাপাশি, র‍্যাব, ডিবি, পিবিআই ছায়া তদন্ত করছে। শিগগিরই রহস্য উদঘাটন হবে বলে আশা করি।

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত