ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৯, ১১:৩৩

প্রিন্ট

শাওয়াল মাসের ৬ রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত

শাওয়াল মাসের ৬ রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত
জার্নাল ডেস্ক

শাওয়াল মাসে অনেক আমল রয়েছে এসব আমলের ফজীলতও অনেক বেশি। এ মাসের গুরত্বপূর্ণ একটি আমল হচ্ছে শাওয়ালের ‘ছয় রোজা’। রমজানের ফরজ রোজা পালনের পর শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাখা মুস্তাহাব। আর এ রোজাকে শাওয়ালের ছয় রোজা বলা হয়। এই রোজার অনেক ফজীলত রয়েছে যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।

মহানবী সা: বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসে ফরজ রোজা পালন করল, অতঃপর শাওয়াল মাসে আরো ছয়দিন রোজা পালন করল, সে যেন সারা বছর রোজা রাখল’ (সহিহ মুসলিম)।

শাওয়ালের রোজার উপকারিতা

এ রোজা ফরজ নামাজের পর সুন্নাতে মুআক্কাদার মতো। যা ফরজ নামাজের উপকারিতা ও তার অসম্পূর্ণতাকে পরিপূর্ণ করে। অনুরূপভাবে শাওয়াল মাসের ৬ রোজা রমযানের ফরজ রোজার অসম্পূর্ণতা সম্পূর্ণ করে এবং তাতে কোনো ত্রুটি ঘটে থাকলে তা দূর করে থাকে। সে অসম্পূর্ণতা ও ত্রুটি কথা রোজাদার জানতে পারুক আর নাই পারুক।

তাছাড়া রমযানের ফরজ রোজা পালনের পরপর পুনরায় রোজা রাখার মানেই হলো রমজানের রোজা কবুল হওয়ার একটি লক্ষণ। যেহেতু মহান আল্লাহ্ কোনো বান্দার নেক আমল কবুল করেন, তখন তার পরেই তাকে আরও নেক আমল করার তাওফিক দান করে থাকেন। যেমন উলামাগণ বলে থাকেন, ‘নেক কাজের ছাওয়াব হলো, তার পরে পুনরায় নেক কাজ করা। (আহকামিস সিয়াম)

শাওয়ালের রোজা রাখার সময়

শাওয়ালের রোজা রাখার উত্তম সময় হলো ঈদের পরের ৬ দিন। কারণ তাতেই রয়েছে নেক আমলের প্রতি ধাবিত হওয়ার প্রমাণ। আর এ কথাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযানের রোজা রাখার পরে-পরেই শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা পালন করে। তবে সে যেন সারা বছরই সিয়াম বা রোজা পালন করল (তিরমিজি)। এ কারণেই একদল আলেম এই ছয়দিনের রোজাকে মুস্তাাহাব বলেছেন। হযরত ইব্নে মুবারাক বলেন, প্রতিমাসের তিন দিন রোজা রাখার মতো শাওয়ালের ছয় দিন রোজা রাখাও ভালো আমল।

শাওয়ালের রোজা ধারাবাহিকভাবে রাখায় ফজিলতপূর্ণ। তবে লাগাতার না রেখে বিচ্ছিন্নভাবেও রাখা চলে। এবং শাওয়াল মাস চলে গেলে তা কাযা করা জরুরি নয়। যেহেতু তা সুন্নত এবং তার যথাসময় পার হয়ে গেছে। তা কোনো ওযরের ফলে হোক আর বিনা ওযরে হোক।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত