ঢাকা, শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে

প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২১, ১৩:৪৯

প্রিন্ট

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে রিয়াল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে রিয়াল

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথমে উয়েফা চ‍্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে গিয়েছিল রোনালদোর জুভেন্টাস। সেই ম‍্যাচের ২৪ ঘন্টার মধ‍্যে ছিটকে যায় মেসিদের বার্সেলোনা। এসব দেখে বাড়তি সচেতন ছিল জিনেদিন জিদানের দল। তাই উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে আটলান্টাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল জিনেদিন জিদানের দল রিয়াল মাদ্রিদ।

মঙ্গলবার আলফ্রেডো ডি স্টেফানো স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে ৩-১ গোলে জেতে জিদানের ছেলেরা। আর দুই লেগ মিলিয়ে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে পরের পর্বে চলে গেল চলতি টুর্নামেন্টের সফলতম দলটি। প্রথম ম‍্যাচে ইতালিয়ান ক্লাবটির মাঠে ১-০ গোলে জিতেছিল তারা। প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন,আক্রমণাত্মক- ফুটবল খেলাতেই পরিচিত হয়ে উঠেছে আটলান্টা।

এই ম‍্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে টুর্নামেন্টের রেকর্ড সংখ‍্যকবার চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে সেই কৌশলে কাজে লাগলো না। আগেরবারের প্রতিযোগিতায় শেষ আটে উঠে দলটি নজর কেড়ে নিয়েছিল ফুটবল বিশ্বের। করিম বেনজেমার গোলে রিয়াল এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়ান সার্জিও রামোস। শেষ দিকে লুইস মুরিয়েল ব্যবধান কমানোর পর রিয়ালের তৃতীয় গোলটি করেন মার্কো আসেনসিও।

"ডু ঔর ডাই" এমন ম‍্যাচে আটলান্টা এগিয়ে যেতে পারতো দ্বিতীয় মিনিটেই। তবে ছয় গজ বক্সের মুখে বল পেয়েও ঠিকমতো শট নিতে পারেননি রবিন গোসেন্স। প্রতিপক্ষের আক্রমণের শুরুর ঝাপটা সামলে ধীরে ধীরে পাল্টা আক্রমণে ফিরতে শুরু করে রিয়াল। তবে বিপক্ষের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না তারা।

২৭ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় রিয়াল। কিন্তু ডি-বক্সে বেনজেমার দারুণ পাস ভিনিসিউস জুনিয়র ফাঁকায় পেয়েও চকিতে শট নিতে ব্যর্থ হওয়ায় গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়। আটলান্টার গোলরক্ষকের ভুলের সুযোগে ৩৪ মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল। সতীর্থের ব্যাকপাস পেয়ে মার্কো স্পোর্তিয়েল্লো যে শট নেন-তা ছিল মিসকিক। সরাসরি চলে যায় লুকা মদ্রিচের পায়ে। ক্রোয়াশিয়ার এই মিডফিল্ডার দ্রুত ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ দিকে ফাঁকায় বেনজেমাকে বল বাড়ান । আর সামান্যতম দেরি না করে ডান পায়ের নিচু শটে বল জালে পাঠান বেনজামা (১-০)। সবধরনে প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্লাবের হয়ে টানা তিন ম্যাচে গোল পেলেন বেনজেমা। সব মিলিয়ে ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় বেনজেমার গোল হল--৭০টি। আর একটি করলেই বসে পড়বেন প্রাক্তন রেকর্ডধারী ও বর্তমানে গোলদাতার তালিকার চতুর্থ স্থানে থাকা রাউল গনসালেসের পাশে।

এরপর ম‍্যাচের ৫৮ মিনিটে ডি-বক্সে রামোসকে ফাউল করেন রাফায়েল তোলোই। পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করে রিয়ালের শেষ আটে যাওয়ার পথ মসৃণ করেন অধিনায়ক রামোস। এরপরও ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া চেষ্টা চালায় আটলান্তা। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনে রিয়ালের রক্ষণে। অবশেষে ৮৪ মিনিটে রিয়ালের শেষ প্রহরী কোর্তোয়াকে হার মানতে হয় । দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে রক্ষণ প্রাচীরের ওপর দিয়ে নিখুঁত নিশানায় গোল করেন কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড মুরিয়েল। আটলান্টার ম‍্যাচে ফেরার আশা অবশ্য শেষ হয়ে যায় ঠিক পরের মিনিটেই। লুকাস ভাসকেসের পাস ধরে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান ম‍্যাচে দুই মিনিট আগেই বদলি নামা মার্কো আসেনসিও। ম‍্যাচের শেষে কোচ জিদান বলেছেন, 'আমার দল কী কী করতে পারে আমি জানি। আজ সাজানো ছকে খেলে জয় এসেছে। আরও সফল হবে ছেলেরা।'

বাংলাদেশ জার্নাল/টিআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত