ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭ আপডেট : ৩ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২০, ০৮:৩৭

প্রিন্ট

মে মাসে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি

মে মাসে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি
প্রতীকী ছবি
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

করোনাভাইরাসের কারণে গত মে মাসে পণ্য ও সেবার চাহিদা কমেছে। তাই কমেছে মূল্যস্ফীতিও। মাসওয়ারি ভিত্তিতে সদ্য সমাপ্ত মে মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৫ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমেছে। এটি চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি। আগের মাস এপ্রিলে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এসময় খাদ্যপণ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে মূল্যস্ফীতির এই চিত্র পাওয়া গেছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পণ্যের সরবরাহ ঠিক ছিল, তাই মূল্যস্ফীতি কমেছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে তার আগের মাসের তুলনায় চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডিম, শাকসবজি ইত্যাদির দাম কমেছে। ফলে মূল্যস্ফীতি কমে যায়। চলতি অর্থবছরে শুধু গত নভেম্বর মাসেই মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ ছাড়িয়েছিল। ওই মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৬ দশমিক ০৫ শতাংশ। বাকি মাসগুলোতে ৬ শতাংশের কম মূল্যস্ফীতি হয়েছে। তবে কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে। আলোচ্য মাসে সার্বিকভাবে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কমেছে। গত মাসে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ০৯ শতাংশ। গত এপ্রিল মাসে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। মে মাসে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ হয়েছে, যা এপ্রিলে ছিল ৬ দশমিক ০৪ শতাংশ।

বিবিএস বলছে, মে মাসে শহরের চেয়ে গ্রামের মানুষের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি ছিল। এই মাসে শহরে যেখানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৪ দশমিক ৮১ শতাংশ, সেখানে গ্রামে তা ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত