ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৬ অাপডেট : ১২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:২৫

প্রিন্ট

সন্তান পর্নোগ্রাফির নেশায় পড়লে যা করবেন?

সন্তান পর্নোগ্রাফির নেশায় পড়লে যা করবেন?
জার্নাল ডেস্ক

প্রযুক্তির এই যুগে বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও ল্যাপটপ, কম্পিউটার, স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আর এর কারণে খুব সহজেই শিশুরা অনেক কিছু দেখতে পারছে। বিভিন্ন অ্যাপ ও সোশ্যাল সাইটের পাশাপাশি শিশু বা কিশোরদের আকৃষ্ট করছে পর্ন সাইটগুলো। আপনার সন্তানও এমন কোনো অভ্যাসের শিকার হয়ে পড়েনি তো?

সারা দিনের ব্যস্ততা ও কাজকর্মের মাঝে সন্তানের সব গতিবিধি ও কম্পিউটার বা মোবাইলের প্রতি নজর দিতে পারেন না অনেক অভিভাবকই। সেই সুযোগটাও অনেক সময়ই কাজে লাগায় সন্তানরা।

এছাড়াও বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনোর পর শারীরিক নানা পরিবর্তনের সঙ্গে মানসিক পরিবর্তনের শিকার হয় কিশোর-কিশোরীরা। আর তখনই পর্নোগ্রাফির নেশার শিকার হতেই পারে তারা। তবে এমন অভ্যাস যদি সন্তানের হয়েই যায় তাহলে তা দূর করতে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক রাখুন, অভিভাবকদের মধ্যে অন্তত কেউ একজনকে সহজ হয়ে মিশতে হবে সন্তানের সাথে। এতে করে বন্ধু হিসেবেই সে আপনাকে সব কিছু বলবে।

পর্নোগ্রাফি কী, এই নেশা কেন ক্ষতি করতে পারে, পর্নোগ্রাফিতে শিশুদের অংশ নেয়া সারা বিশ্বে কেন নিষিদ্ধ এসব কথা বয়ঃসন্ধিতেই তাদের গল্প করতে করতে বুঝাতে হবে।

গুগলে চাইন্ড পর্নোগ্রাফি টাইপ করলে সচেতন করে গুগল। তাই সন্তান যে মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে, তার দিকেও খেয়াল রাখুন। বর্তমানে বেশ কিছু মোবাইল সেট ও অ্যাপের প্রি-ইনস্টল ফিল্টার থাকে। এর মাধ্যমে আপনি নজর রাখতে পারবেন তার মোবাইলে।

ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করলে সকলেই জানেন, এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। সন্তান আলাদা কোনো পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখতে চাইলে সচেতন হোন। মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময়ও যাতে খুব একটা গোপনীয়তা তারা অবলম্বন করতে না পারে, সে দিকে খেয়াল রাখুন।

সন্তানের প্রতি খেয়াল রাখুন, তবে তাকে অবিশ্বাস করছেন তা বুঝতে দেবেন না। বরং তার পাশের সঙ্গী, বন্ধুর মতই তার সাথে ব্যবহার করুন।তার কোনো বন্ধুকে ক্ষতিকারক মনে হলে, তার সম্পর্কে সচেতন করুন সন্তানকে।

সন্তানের মুখে হঠাৎই কোনো খারাপ শব্দ শুনলে তা কার কাছ থেকে শিখল তা জানতে চান, শাসন নয়, বন্ধুত্বই এই কৌশলের অন্যতম উপায়।

নিজেরাও সন্তানের সামনে পর্ন ছবি বা ভিডিও নিয়ে আগ্রহ দেখানো বা আলোচনার বিষয় থেকে দূরে থাকুন।

কোনো ভাবে সন্তান এই নেশার কবলে পড়েছে বুঝতে পারলে আর দেরি করবেন না, দ্রুত মনোবিদের কাছে যান।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close