ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬ অাপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০১৯, ১১:৩১

প্রিন্ট

বয়ঃসন্ধিতে সন্তানের যত্ন

বয়ঃসন্ধিতে সন্তানের যত্ন
জার্নাল ডেস্ক

বয়ঃসন্ধি মানেই বাবা-মায়ের শাসন বাঁধন ভেঙে স্বাধীনচেতা হয়ে উঠতে চায় কৈশোর মন। এদিকে বাড়ন্ত সন্তানকে স্নেহ দিয়ে বা শাসন করে আগলে রাখতে চান বাবা-মায়েরা। কিন্তু দুই দিকের বিপরীত চাওয়ার কারণে তৈরি হয় অশান্তি। এতে আসে লেখাপড়ায় অমনোযোগিতা, অবাধ্যতা, জেদ, নিজেকে গুটিয়ে রেখে একলা থাকার অভ্যাস, মানসিক অবসাদ, ইন্টারনেটের নেশা, লুকিয়ে সিগারেট-মদ খাওয়ার অভ্যাস।

যার কারণে উদ্বিগ্ন হন অভিভাবকরা। আর মারধর, শাসন করলে আরো দূরে সরে যায় আবেগপ্রবণ সন্তানরা। বয়ঃসন্ধির ছেলেমেয়েরা এই সময় নিজেদের বড় হয়ে গিয়েছে বলে ভাবতে থাকে। তাদের নিজস্ব ভাবনা, ধারণা, মতামত তৈরি হয়।

তাদের এইসব মতামতকে অভিভাবকরা গুরুত্ব না দিলে দ্বন্দ্ব ও তর্ক শুরু হয়। এমন ব্যবহারিক পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয়। এই পরিস্থিতিতে সন্তানকে নম্রভাবে বোঝান। তার কথা মন দিয়ে শুনুন।

যতই কাজে ব্যস্ততা থাকুন না কেন প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা সময় দিন সন্তানকে। একসঙ্গে গল্প করা, টিভি দেখা, গেমস খেলা যে কোনো কিছুই হতে পারে।

সব সময় নিজের মতামত সন্তানের উপর চাপিয়ে দেবেন না। অন্যের সঙ্গে সন্তানের তুলনা করবেন না। এছাড়া কোনো জিনিস কেনার আগে ছেলেমেয়ের বক্তব্য শুনুন।

তবে অতিরিক্ত বায়না, অতিরিক্ত ইন্টারনেট-মোবাইল ব্যবহার করলে অবশ্যই শাসন করুন। কারণ বেশি স্নেহ বিপদের কারণ। যদি সন্তানের চাহিদা গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয় তাহলে নিশ্চয়ই দিন। কিন্তু ১৩/১৪ বছরের সন্তান যদি মোবাইল, বাইক বা এমন কিছু জিনিস চায় যা তার ব্যবহারের বয়স হয়নি, তাহলে প্রথমেই না করে দিন।

বাবা-মা ঠিকমতো সময় না দিলে বা সঠিক ব্যবহার না করলেই কিন্তু অবাধ্যতা, জেদ, একগুঁয়েমি বাড়ে। এ সময়ে বাবা-মাকে ধৈর্য ধরে, সঙ্গ দিয়ে, ভাল করে বুঝিয়ে তাদের আয়ত্ব আনতে হবে।

এই সময়ে সন্তানের তুলনা করে নেতিবাচক কথা বলবেন না ও মারধর করবেন না। আত্মসম্মানে লাগে এমন কথা বলা যাবে না। সন্তানের সামনে কোনো ভাবেই সিগারেট-মদ খাবেন না। তাদের সামনে ঘনঘন মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করলে তারা কিন্তু এগুলোই শেখে।

আরএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close