ঢাকা, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ আপডেট : ২০ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৩

প্রিন্ট

ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুর প্রতিনিধি

ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় গাজীপুরে শ্রমিকরা বিক্ষোভ, অবস্থান ধর্মঘট করেছে। পরে পুুিলশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

বৃহস্পতিবার মহানগরের নাওজোর এলাকায় দিগন্ত সোয়েটার নামের পোশাক করখানার (নিটিং) এ বিক্ষোভ, অবস্থান ধর্মঘট করে শ্রমিকরা।

কারখানার নিটিং সেকশনের শ্রমিক সুমন জানান, ছুটি দেয়ার নামে কারখানায় কারখানায় শ্রমিক ছাঁটাই করার পায়তারা করছে। কতৃপক্ষ আমাদের কোন আইডি কার্ডও দিচ্ছে না। পাওনা না দিয়ে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, কারখানার নিটিং সেকশনে সাত হাজারের মতো শ্রমিক ছিল। কিন্তু ছাঁটাই করতে করতে এখন প্রায় দেড় হাজারের মতো শ্রমিক রয়েছে। ছাঁটাই হলে করোনাকালে আমরা কোথায় যাব, কি করে খাবো।

এসবের প্রতিবাদে কারখানার শ্রমিকরা সকাল ৯টা থেকে বিক্ষোভ ও অবস্থান ধর্মঘট শুরু করে। পরে বিকেলে পুলিশ গিয়ে শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।

বাসন থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, কাজের অর্ডার না থাকায় কারখানা কর্তৃপক্ষ আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর লে-অফ ঘোষণা করেছে। এ সময়ে নিয়িমানুয়ায়ী কতৃপক্ষ শ্রমিকদের মূল বেতন দেবে। কিন্তু শ্রমিকদের ভয় তাদের চাকরি থাকবে না এবং বেতনও দেয়া হবে না। তাই তারা ওই আন্দোলন শুরু করে। পরে শ্রমিকদের বিষয়টি বুঝানো হলে তারা মেনে আন্দোলন ত্যাগ করে চলে যায়।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কারখানার কতৃপক্ষ একটি বিজ্ঞপ্তিও দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামি সপ্তাহের মধ্যে (শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার) কারখানার নিটিং ৭ গেইজ-এর কাজ শেষ হবে এবং যেই ফ্লোরে যেদিন কাজ শেষ হবে তার একদিন পর নগদে চলতি মাসের পাওনাদি পরিশোধ করা হবে। আগামি ২৬ ডিসেম্বরে কাজের অর্ডার পাওয়া যাবে। তখন সকলকে কাজে যোগদানের জন্য ফোন করা হবে। ছুটিকালীন সময়ে শ্রমিকদের আইনানুগ বেসিক পর্যায়ক্রমে যথাক্রমে আগামী ২৫ নভেম্বর এবং ২৭ ডিসেম্বর নগদ পরিশোধ করা হবে।

একইভাবে নিটিং ১২ গেইজ যখন বন্ধ ঘোষণা করা হবে। তখন একইভাবে ১২ গেইজের শ্রমিকরা বেতন পাবেন। আর ছুটির পর যোগদানের সময় শ্রমিকদের আইডি কার্ড হস্তান্তর করা হবে।

আর বর্তমানে যারা কর্মরত আছেন তাদের প্রত্যেককে কারখানা খোলার সময় যোগদানের নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে। কর্মরত শ্রমিকদের নাম ও কার্ড নম্বরের তালিকা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের কাছে জমা দেয়া হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত