জুনে সামান্য কমল মূল্যস্ফীতি, তবু স্বস্তি নেই
জার্নাল ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ২০:২৯ আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৬, ২০:৪৫

আগের মাসের চেয়ে জুনে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনও ৯ শতাংশের বেশি। আর অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে নেমেছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। এতে করে এপ্রিলের পর থেকে মূল্যস্ফীতি টানা তিন মাস ৯ শতাংশের ওপরে থাকল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানোর প্রভাবই বেশি পড়েছে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতিতে। আগের অর্থবছরের জুনে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ।
সোমবার প্রকাশিত বিবিএসের তথ্যে দেখা গেছে, গত অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশে। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ হার ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।
বছরের ব্যবধানে খাদ্য খাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ২০২৫ সালের জুনে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এ বছর জুনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৬০ শতাংশে। তবে মে মাসের তুলনায় তা কিছু কম; ওই মাসে এ হার ছিল ৯ দশমিক ০৬ শতাংশ।
মে মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। গত মাসে তা সামান্য কমে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৬১ শতাংশে। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ। অর্থাৎ বছর ঘুরতেই এই খাতেও ব্যয় বেড়েছে।
গ্রাম ও শহরে মাসের ব্যবধানে পণ্যের দামে কিছুটা কমছে বলে তথ্য দিয়েছে বিবিএস।
জরিপকারী এসংস্থাটি বলছে, জুনে গ্রামে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং শহরে ছিল ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। মে মাসে এ হার ছিল যথাক্রমে ৯ দশমিক ২৫ ও ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম










