দেশি ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন যন্ত্র বাজারজাতকরণে সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
জার্নাল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৫:৫০

দেশি প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন যন্ত্র প্রস্তুত ও বাজারজাতকরণে সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এই সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে তথ্য দিয়েছেন তার উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু।
উপ প্রেস সচিব বলেন, “বাংলাদেশের দুইটি বিশেষজ্ঞ দল দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে জীবনরক্ষাকারী যান্ত্রিক শ্বাসযন্ত্র ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরি করছে।
“এই সংক্রান্ত বৈঠকে মেশিন দুইটির কার্যকারিতা ও সম্ভাবনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বিশেষজ্ঞ দলের প্রশংসা করেছেন এবং দুইটি মেশিন ব্যবহার উপযোগী ও বাজারজাতকরণে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।”
বৈঠকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এগুলো দেশের সব হাসপাতালে ব্যবহারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হওয়ায় যন্ত্র দুটি তুলনামূলক কম খরচে বাজারজাত করা সম্ভব হবে যা স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সাশ্রয়ী করতে ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশে সরকার গবেষণা ও উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, মান যাচাই এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সহযোগিতা দেবে।”
জীবনরক্ষাকারী যান্ত্রিক শ্বাসযন্ত্র ‘ভেন্টিলেটর’ এবং ‘হাই-ফ্লো’ অক্সিজেন যন্ত্র সাধারণত হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট- আইসিইউতে ব্যবহৃত হয়।
বৈঠকে যন্ত্র দুইটির উপযোগিতা তুলে ধরে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘ভেন্টিলেটর’ যন্ত্রটি গুরুতর শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম। এ কারণে এর নিরাপত্তা, কার্যকারিতা ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে আরও বিস্তৃত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।
অন্যদিকে ‘হাই-ফ্লো’ অক্সিজেন যন্ত্রটি শ্বাসতন্ত্রের সাধারণ সমস্যাজনিত রোগীদের জন্য ব্যবহার উপযোগী। এই যন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, এটি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই ব্যবহার করা যায়। ফলে বিদ্যুৎ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের সময় অ্যাম্বুলেন্সেও এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাবে।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের উপ-উপাচার্য মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ মামুন শিবলী।
বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি










