বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘স্পাইডারম্যান’
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৬, ২০:২৪

মার্ভেল ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় সুপারহিরো স্পাইডারম্যান। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’আগামী ৩১ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।
তবে বিশ্বব্যাপী মুক্তির এক দিন আগেই সিনেমাটি উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশের দর্শকরা। আগামী ৩০ জুলাই দেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে বহুল আলোচিত এই সুপারহিরো সিনেমা।
মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) ৩৮তম চলচ্চিত্র এবং স্পাইডারম্যান সিরিজের চতুর্থ কিস্তি ‘স্পাইডারম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন।
আগের মতোই স্পাইডারম্যান তথা পিটার পার্কারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন টম হল্যান্ড। এমজে চরিত্রে ফিরছেন জেন্ডায়া, আর নেডের ভূমিকায় দেখা যাবে জ্যাকব ব্যাটালনকে। পাশাপাশি ব্রুস ব্যানার বা হাল্ক চরিত্রে আবারও পর্দায় হাজির হবেন মার্ক রাফালো।
এবারের কিস্তিতে যোগ হয়েছে বেশ কয়েকজন নতুন অভিনেতা।
‘আসোকা’খ্যাত ইমান এসফান্ডি অভিনয় করেছেন এমজের নতুন প্রেমিকের চরিত্রে। অন্যদিকে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’খ্যাত অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ককে দেখা যাবে একটি রহস্যময় চরিত্রে। তবে ভক্তদের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে ফিরছেন জন বার্নথাল। তিনি আবারও ‘ফ্র্যাঙ্ক ক্যাসেল’ বা ‘দ্য পানিশার’ চরিত্রে বড় পর্দায় উপস্থিত হচ্ছেন।
গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর ঘটনার পর পিটার পার্কারের নতুন জীবন।
ডক্টর স্টিফেন স্ট্রেঞ্জের জাদুর কারণে পৃথিবীর সবাই পিটার পার্কারকে ভুলে যাওয়ার পর সে সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়ে। নিজের পরিচয় গোপন রেখেই নিউ ইয়র্ককে রক্ষা করতে থাকে স্পাইডার-ম্যান। কিন্তু একাকীত্ব, মানসিক চাপ এবং নতুন এক শক্তিশালী শত্রুর আবির্ভাব তাকে আরও কঠিন এক লড়াইয়ের মুখোমুখি করে। একই সঙ্গে তার অতিমানবীয় শক্তিতেও দেখা দেয় অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন, যা নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
নির্মাতাদের দাবি, আগের চলচ্চিত্রগুলোর তুলনায় এবার আরও পরিণত, দায়িত্বশীল এবং আত্মনির্ভরশীল পিটার পার্কারকে দেখতে পাবেন দর্শকরা। ফলে চরিত্রের মানসিক বিকাশ ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বও গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
শুধু গল্প নয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকেও সিনেমাটি নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বিশ্বের প্রথম চলচ্চিত্র, যা পুরোপুরি ‘শট ফর স্ক্রিন-এক্স’ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে। স্ক্রিন-এক্স প্রযুক্তিতে মূল পর্দার পাশাপাশি সিনেমা হলের দুই পাশের দেয়ালেও দৃশ্য সম্প্রসারিত হয়।
ফলে দর্শকরা ২৭০ ডিগ্রি প্যানারোমিক ভিউয়ে সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন, যা প্রচলিত সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত ও রোমাঞ্চকর করে তুলবে।
মুক্তির আগেই সিনেমাটি নিয়ে তুমুল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ট্রেলার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ট্রেলারটি ৭১ কোটি ৮৬ লাখ ভিউ অর্জন করে নতুন রেকর্ড গড়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে অগ্রিম টিকিট বিক্রিও শুরু হয়েছে, যেখানে দর্শকদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।
বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি










