ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে English

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৪:০৪

প্রিন্ট

হঠাৎ যে কারণে ঢাকায় মিন্নি

হঠাৎ যে কারণে ঢাকায় মিন্নি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বরগুনায় রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী ও চার্জশিটভুক্ত ৭ নম্বর আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি হঠাৎ করে ঢাকাই এসেছেন।জানা গেছে, চিকিৎসা ও আইনি পরামর্শের জন্য বাবার সঙ্গে ঢাকায় এসেছেন তিনি।

রোববার সকালে তারা ঢাকায় পৌঁছান। ঢাকায় আসার পর তারা হাইকোর্টে মিন্নির আইনজীবী জেড আই খান পান্নার চেম্বারে দেখা করতে যান। এ সময় তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে মিন্নি আইনজীবীর পা ছুয়ে সালাম করেন। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেন, ‘ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শের বিষয় আছে। আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের বিষয় আছে। চার্জশিটের কথা তো আগাগোড়াই বলেছি, এটা একটা মনগড়া উপন্যাস। মূলত মূল আসামিদের এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য এ ধরনের কারবার করা হয়েছে। নাথিং নিউ। জজ মিয়া এবং জাহালমের আরেকটা সংস্করণ।

আদালতে মিন্নির দেওয়া জবানবন্দি প্রকাশের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী বলেন, দেখেছি। আমি তো কোর্টে বসেই দেখেছি। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত যখন আমাদের দেখাতে দিতে বলেছিলো তখন এক নজর দেখেছি। সেটাও (১৬৪ ধারার জবানবন্দি) একটা উপন্যাস। সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি কোর্টকে বলেছেন-এতো সুন্দর করে লেখা যা চিন্তার বাইরে। সুস্থ মাথায় এতো সুন্দরভাবে লিখতে পারে না।

এটা প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন? জবাবে জেড আই খান পান্না বলেন, আগেই করা হয়েছে। মিন্নি নিজে জেলখানা থেকে করেছে।

আরেক প্রশ্নে আইনজীবী বলেন, এটা তো পুলিশের কাছে ছিলো। সেখানটা বাদে তো আর আসতে পারে না। ইতোপূর্বে আমরা দেখেছি এটা গণমাধ্যমে এসেছে। কোর্টের কাছে দেওয়ার পূর্বে এটা প্রকাশিত হয়েছে।

এটা ঠিক হয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ঠিক হয়নি। এটা আদালত অবমাননা।

এর আগে শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিন্নি ও তার বাবা বরগুনার আমতলী থেকে লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। ওইদিন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর সাংবাদিকদের বলেন, আমার মেয়ের শারীরিক সুস্থতার জন্য ঢাকায় নিয়ে তাকে চিকিৎসা করাবো।

২৬ জুন প্রকাশ্য দিবালোকে বরগুনা সরকারি কলেজ রোডে স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে জখম করা হয় রিফাত শরীফকে। পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ২ জুলাই ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। এর মধ্যে মামলার অন্য আসামিদেরও গেপ্তার করা হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত