ঢাকা, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭ আপডেট : ১৫ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২০, ১১:২৫

প্রিন্ট

নতুন পদ্ধতিতে প্রাথমিকের পরীক্ষা নেবে ডিপিই

নতুন পদ্ধতিতে প্রাথমিকের পরীক্ষা নেবে ডিপিই
জার্নাল ডেস্ক

টানা ছুটিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা অব্যাহত রাখতে এবার নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার কথা জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। (ডিপিই)।

ডিপিই বলছে, করোনাকালে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ঘরে বসেই পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে মৌখিকভাবে একটি নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে।

তবে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা ডিপিইর এমন সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন। তারা করোনা আতঙ্কে শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি যেতে রাজি হচ্ছেন না। অনেকে লিখিত এবং মৌখিকভাবে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়া অব্যাহত রাখতে এবার শিক্ষকদের বাড়ি বাড়ি পাঠানোর কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে শিক্ষকরা লেখাপড়ার খোঁজ নেবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাঠদানের আলোকে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ওপর প্রশ্নপত্র দিয়ে আসবেন। ছাত্রছাত্রীরা নিজের খাতায় উত্তর লিখে রাখবেন। পরে শিক্ষকরা তা সংগ্রহ করে মূল্যায়ন করবেন। যদিও এই উদ্যোগে শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি আনিছুর রহমান জানান, দেশের অনেক শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক স্থানে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অবস্থায় শিক্ষকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা নেয়ার কাজে আগ্রহী হবেন না। অনেক শিক্ষক টেলিফোনে এ বিষয়ে মৌখিক আপত্তি জানিয়েছেন। এ ছাড়া শিক্ষকরা তো সব শিক্ষার্থীর বাড়িও চেনেন না। তারা কিভাবে সবার বাড়ি গিয়ে পরীক্ষা নেয়ার মতো এত বড় একটি কাজ সমাধান করবেন। কাজেই সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনারও দাবি জানান তিনি।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষকরা টেলিফোনে জানিয়েছেন, করোনার এই মহা দুর্যোগের সময়টিতে শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। তবে কোনো কোনো শিক্ষক বলছেন, উদ্যোগটি ভালো। এতে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় ফিরে আসার পাশাপাশি মানসিকভাবেও চাঙ্গা হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক মোহাম্মদ ফসিউল্লাহ জানান, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন শ্রেণি কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন। তাদের বিকল্প প্রক্রিয়ায় পাঠদান চলছে। এখন আমরা সেই পাঠদানের ওপর মূল্যায়ন করতে চাই। তাই বিকল্প হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত