ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

নাসির আলী মামুনের ফটোমিউজিয়াম পরিদর্শনে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐক্যজোটের নেতারা

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৩

নাসির আলী মামুনের ফটোমিউজিয়াম পরিদর্শনে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐক্যজোটের নেতারা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা একাডেমিতে চলছে বিশিষ্ট আলোকচিত্রী, একুশে পদকপ্রাপ্ত ও বাংলা একাডেমির ফেলো নাসির আলী মামুন-এর ৬৭তম একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘স্মৃতি-বিস্মৃতির মুখচ্ছবি’।

২১ এপ্রিল সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী-এর নেতৃত্বে বাংলা একাডেমির আয়োজিত এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন জাতীয় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ। এ সময় আলোকচিত্রশিল্পী নাসির আলী মামুন নিজে উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনীর সময় রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী সঙ্গে ছিলেন নাট্যাভিনেতা কাজী আসাদ, সাংস্কৃতিক সংগঠক রফিকুল ইসলাম, সারেঙ সম্পাদক আবদুর রহমান মল্লিক, ঐক্যজোটের মহাসচিব শাহ সীদদীক, নাট্যনির্দেশক নুর হোসেন রানা, মাহাবুব আলম, মুস্তাফিজ সুজন, ইকবাল, লিয়া, নিজামসহ অনেকে।

কবি হেলাল হাফিজ

বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউজে চলমান এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের প্রখ্যাত প্রয়াত কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও কথাশিল্পীদের শতাধিক আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর কিছু দুর্লভ আলোকচিত্রও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। প্রদর্শনী চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী বলেন, “নাসির আলী মামুন দেশের শিক্ষিত সমাজে সুপরিচিত এক নাম। দেশ-বিদেশের গুণী অনেক মানুষ তার কাজের সঙ্গে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রযোজনার মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ভিজ্যুয়াল আর্কাইভ গড়ে তুলছেন।”

কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

কাজী আসাদ বলেন, “নাসির আলী মামুন বহু আগেই দেশের মানুষের কাছে সুপরিচিত হয়ে উঠেছেন। ‘কিংবদন্তি আলোকচিত্রী’ উপাধি পাওয়ার পরও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তার কাজ বাংলাদেশের আলোকচিত্র চর্চাকে সমৃদ্ধ করছে।”

নুর হোসেন রানা বলেন, “বিভিন্ন লেখক ও সাহিত্যিকের আলোকচিত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নাসির আলী মামুন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক মূল্যবান ভান্ডার তৈরি করছেন। এ উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে সাহিত্যিকদের প্রতি নতুন করে আগ্রহ ও কৌতূহল সৃষ্টি করবে।”

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত