ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ৭ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০০:২৩

প্রিন্ট

৬৬ বসন্ত পেরিয়ে রুনা লায়লা

৬৬ বসন্ত পেরিয়ে রুনা লায়লা
বিনোদন প্রতিবেদক

দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গান করে চলেছেন উপমহাদেশের বরেণ্য গায়িকা রুনা লায়লা। ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন এই গুণী তারকা শিল্পী। কুড়িয়েছেন কোটি মানুষের ভালোবাসা।

তার গানে তিনি মন ভুলিয়েছেন তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সকল বয়সী গান প্রেমীদের। নিজ দেশ ছাপিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।

আজ ১৭ নভেম্বর প্রখ্যাত এই গায়িকার জন্মদিন। এই দিনে রাত গভীর হওয়ার আগে থেকেই সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্ত অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। দেখতে দেখতে জীবনের ৬৬টি বসন্ত পার করে পা রেখেছেন ৬৭তে।

১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন রুনা লায়লা। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী।

রুনা লায়লার যখন আড়াই বছর বয়স তার বাবা রাজশাহী থেকে বদলি হয়ে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের মুলতানে যান। সে সূত্রে তার শৈশব কাটে পাকিস্তানের লাহোরে।

১৯৭৪ সালের শুরুতে প্রয়াত সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ সিনেমায় গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি। গানের কথা ছিল ‘ও জীবন সাথী তুমি আমার’।

এ গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দেন খন্দকার ফারুক আহমেদ। তবে পাকিস্তানের ‘যুগ্নু’ সিনেমায় ছোটবেলায় রুনা লায়লা প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অসংখ্য সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন তিনি।

সঙ্গীতে আকাশছোঁয়া সাফল্য অর্জন করা শিল্পী রুনা লায়লা নাচেও বেশ পারদর্শী। চার বছর বুলবুল একাডেমি করাচিতে ভরতনাট্যম, কত্থক, কত্থকলি শিখেছিলেন এ তারকা। নন্দিত এই শিল্পী অভিনয় করেছেন ‘শিল্পী’ নামক চলচ্চিত্রেও। পেয়েছেন নানা পুরস্কার।

এসবের মধ্যে রয়েছে দেশ থেকে চারবার জাতীয় চলিচ্চত্র পুরস্কার, স্বাধীনতা পুরস্কার। এছাড়া ভারত থেকে পেয়েছেন সায়গল পুরস্কার। পাকিস্তান থেকে অর্জন করেছেন নিগার, ক্রিটিক্স, গ্র্যাজুয়েটস পুরস্কারসহ জাতীয় সঙ্গীত পরিষদ স্বর্ণপদক।

বাংলাদেশ জার্নাল/আইএন/জেডআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত