ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ১ শ্রাবণ ১৪২৭ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২০, ১৭:০৮

প্রিন্ট

‘দেহ’ নিয়ে এলো করোনা কেয়ার প্যাক

‘দেহ’ নিয়ে এলো করোনা কেয়ার প্যাক
জার্নাল ডেস্ক

করোনার লক্ষণ দেখা দিলে কী করবেন, কোথায় যাবেন- তা নিয়ে হতবিহবল হয়ে পড়েন সবাই। এরপর টেস্টের সিরিয়াল, নমুনা দেয়া ও ফলাফল পেতে চলে যায় আরো ১০-১৫ দিন। অনেক ক্ষেত্রেই এই ১০-১৫ দিন সময়ে দুর্বল স্বাস্থ্যের রোগীদের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট প্রচণ্ড শারীরিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে অনেক রোগীই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

এ কারণে ১০-১৫ দিন সময় নষ্ট না করে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরামর্শ এবং ওষুধপত্রসহ বাংলাদেশে আমরাই সর্বপ্রথম ‘করোনা কেয়ার প্যাক’ নামে একটি সার্ভিস ডিজাইন করেছি- যা আপনার জীবন রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

প্রশ্ন-১: করোনা কেয়ার প্যাক কি করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর নিতে হবে?

উত্তর: না, করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগেই সংগ্রহ করে নিতে হবে। যেন লক্ষণ প্রকাশের সাথে সাথে আপনি চিকিৎসা শুরু করে দিতে পারেন। কারণ, করোনার লক্ষণ প্রকাশের পর যদি কেউ অর্ডার করেন, তাহলে প্যাকটি হাতে পেতে ২-৩ দিন সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। প্রশ্ন-২: করোনা কেয়ার প্যাকটি কেনো কিনবো?

উত্তর: DEHO Doctor Team এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর টেস্টের সিরিয়াল এবং পরীক্ষার ফলাফল পেতে প্রায় ১৪-১৫ দিন সময় চলে যায়। এই সময়ের মধ্যেই মূলত মানুষ অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তাই হাতের কাছে করোনা কেয়ার প্যাকটি থাকলে লক্ষণ প্রকাশের সাথে সাথে চিকিৎসা শুরু করে নিজেকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। বাজারে এখন ওষুধের সংকট থাকায় আশে-পাশের ফার্মেসিতে প্রয়োজনীয় ওষুধও অনেক সময় পাওয়া যায় না। আমরা এই প্যাকে করোনা চিকিৎসার ১৪ দিনের সব ওষুধ একসঙ্গে দিয়ে দিচ্ছি। অর্থাৎ করোনা কেয়ার প্যাক হাতের কাছে থাকা মানে করোনা নিয়ে আপনার সব দুচিন্তা দূর।

প্রশ্ন-৩: কী কী থাকবে এই প্যাকে?

উত্তর: এই প্যাকে থাকছে ১ জনের জন্য ১৪ দিনের ওষুধ, সার্বক্ষণিক ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ, প্রেসক্রিপশন এবং ডায়েট চার্ট। প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় আলাদা আলাদা প্রেসক্রিপশন ও ডায়েট চার্ট করা হয়ে থাকে। ওষুধের অপব্যবহার প্রতিরোধে এর সাথে রেডিমেড কোনো প্রেসক্রিপশন বা ডায়েট চার্ট দেওয়া হয় না। ফোনে বা ভিডিও কলের মাধ্যমে রোগী বা তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলার মাধ্যমে প্রেসক্রিপশন এবং ডায়েট চার্ট দেওয়া হয়। তাই একজনের জন্য এই প্যাক নিয়ে ৪ জন ব্যবহার করার উপায় নেই। কারণ রোগীর মেডিকেল হিস্ট্রির উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিদরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

প্রশ্ন-৪: চিকিৎসক এবং নিউট্রিশনিস্টের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করবো?

উত্তর: এই প্যাকের সাথে একটি কোড দেওয়া হবে। কোনো প্রকার লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে কোডটি উল্লেখ করে আমাদের সাথে হটনম্বরে যোগাযোগ করবেন। আমাদের ডাক্তার এবং নিউট্রিশনিস্টরা আপনাদের সাথে অনলাইনে কথা বলে অথবা ভিডিও কলের মাধ্যমে রোগীর জন্য করণীয় এবং প্রেসক্রিপশন ও ডায়েট চার্ট দেবেন।

প্রশ্ন-৫: ডাক্তার এবং নিউট্রিশনিস্টের সাথে কতবার যোগাযোগ করা যাবে?

উত্তর: এই প্যাকটিতে মোট ১৪ দিনের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। লক্ষণ প্রকাশের পর যখন চিকিৎসা শুরু করবেন তখন থেকে যত বার রোগীর প্রয়োজন পড়বে ততোবার যোগাযোগ করতে পারবেন।

প্রশ্ন-৬: এই প্যাকের মূল্য কত? দামের বিষয়টি ইনবক্সে কেন জানান?

উত্তর: এই প্যাকের সুনির্দিষ্ট কোনো মূল্য আমরা নির্ধারণ করতে পারিনি। কারণ ওষুধ এবং অন্যান্য বিষয়াদির দাম বারবার ওঠানামা করে। তাই আপনি যেদিন প্যাকটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন সেদিনের বাজার দর অনুযায়ী প্যাকের মূল্য রাখা হবে। ‘আর কেন ইনবক্সে’- এই প্রশ্নের উত্তর হলো, যেহেতু মূল্য সুনির্দিষ্ট নয়, তাই যদি কমেন্টে মূল্যটি জানিয়ে দেই তাহলে পরিবর্তিত মূল্য সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। এজন্যই ইনবক্সে আরও কিছু আনুষঙ্গিক প্রশ্নোত্তরসহ মূল্য জানিয়ে দেওয়া হয়।

প্রশ্ন-৭: প্যাকের দাম আরও একটু কমানো যায় না?

উত্তর: আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে, দেহ কোনো ব্যবসায়িক প্রকল্প নয়। এটি ২০০৯ সাল থেকে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত আছে। তাই সবসময়ই আমরা চেষ্টা করি আপনাদের সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচে সেবা দিতে। ওষুধের ক্রয়মূল্য, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন, চিকিৎসকের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা টেলিকনফারেন্স, পুষ্টিবিদের পরামর্শ ও ডায়েট চার্ট- সবমিলিয়ে যতটুকু মূল্য না নিলে নয়, আমরা কেবল ততটুকুই নিচ্ছি।

প্রশ্ন-৮: করোনা কেয়ার প্যাকটির মেয়াদ কত দিন? আমি করোনায় আক্রান্ত না হলে এই প্যাকটি কী করবো?

উত্তর: এই প্যাকটির মেয়াদ ২ বছর। আগামী ২ বছরের মধ্যে যেকোনো সময় আপনার করোনার লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দিলে এটি ব্যবহার করা যাবে। আর যদি কোন গ্রাহক করোনায় আক্রান্ত না হন তাহলে তা হবে আনন্দের। এক্ষেত্রে আপনার আত্মীয়, বন্ধু বা পরিচিত কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে আপনি প্যাকটি আক্রান্তজনকে কিংবা অসহায় দরিদ্র কোনো রোগীকে দান করে দিতে পারেন।

প্রশ্ন-৯: বাংলাদেশের সব জায়গা বা বাংলাদেশের বাইরে থেকেও কি এই প্যাক নেওয়া যাবে?

উত্তর: জি, বাংলাদেশের সব জায়গা থেকেই এই প্যাক নেওয়া যাবে। ভারত থেকে অনেকেই নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন, কিন্তু ভারত বা বাংলাদেশের বাইরে কোথাও এই মুহূর্তে এই প্যাক পাঠানোর সুবিধা আমাদের নেই। তবে যারা প্রবাসে থাকেন, তারা দেশে তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নিতে পারেন, আমরা আপনাদের পরিবারে এই প্যাক পৌঁছে দেবো।

প্রশ্ন-১০: কীভাবে মূল্য পরিশোধ করবো?

উত্তর: ঢাকায় আমরা ক্যাশ অন ডেলিভারি এবং ঢাকার বাইরে সুন্দরবন অথবা এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কন্ডিশনে প্যাকটি পাঠিয়ে থাকি। তাই এখন আর অগ্রিম মূল্য পরিশোধের প্রয়োজন পড়বে না।

পরিশেষে বলবো, নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তায় করোনা কেয়ার প্যাক সবার জন্য জরুরি। কারণ করোনা রোগীর অনেকেই সময় মতো চিকিৎসার অভাবে মা'রা যাচ্ছেন। করোনা কেয়ার প্যাকটি আপনাকে সেই ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে। তাই দেরি না করে আমাদের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন এবং আজই অর্ডার করুন ‘করোনা কেয়ার প্যাক’।

আমাদের ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/deho.tv আমাদের ওয়েবসাইট: www.deho.com.bd ফোন: 01760933449

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএইচ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত
best