ঢাকা, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬ অাপডেট : ১৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:৩৭

প্রিন্ট

ভালোবাসা গাছেও ধরে!

ভালোবাসা গাছেও ধরে!
অনলাইন ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ব জুড়ে তরুণ তরুণীদের আবেগের মাত্রা বেড়েই চলেছে। এ নিয়ে তাদের কত না আয়োজন আর প্রস্তুতি। কিন্তু আপনাদের অনেকেই হয়তো জানেন না, ভালোবাসা শুধু মনে নয়, গাছেও ধরে। এটি আসলে একটি ফল যার নাম হৃদয়ফল বা হার্টফ্রুট।

প্যারিস থেকে ২৫০ কিলোমিটার দূরের একটি অজপাড়াগাঁ। এর লোকসংখ্যা মাত্র ২৮২ জন। এই গ্রামের একমাত্র বেকারির মালিক-শ্রমিক সবই জাপানি। গ্রামের নাম সেইন্ট ভ্যালেন্টাইন। বাংলা অর্থ প্রেমিক-প্রেমিকাদের গ্রাম।

ভালোবাসা দিবসের দিন কয়েক আগে এটি একটি আন্তর্জাতিক গ্রামে পরিণত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুগলরা আসে তাদের ভালোবাসাকে পবিত্র করতে। এখানে আসলে নাকি অতীতের ভালোবাসার সমস্ত কলঙ্ক দূর হয়ে যায় এবং ভালোবাসা পুর্ণতা পায়।

এখানে ভালোবাসা দিবসের অনুষ্ঠান পালন করা হয় সরকারিভাবে। এদিন প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরণ করেন স্বয়ং মেয়র। গীর্জায় বাজানো হয় ভালোবাসার সঙ্গীত এবং সেখানে কপোত-কপোতীদের জন্য বিশেষ প্রার্থণা সভারও আয়োজন করা হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারিতে গ্রামটিতে আয়োজন করা হয় বিশেষ খাবার, কনসার্টসহ আরো নানা অনুষ্ঠান।

এই গ্রামের ভালোবাসা পার্কে আছে ভালাবাসার কৃত্রিম গাছ। আর গ্রামের বাজারে পাওয়া যায় পিতলের হার্ট। প্রেমিক যুগল সেখান থেকে পিতলের হার্ট কিনে তাতে নিজেদের নাম ও জন্মতারিখ খোদাই করে এই গাছে ঝুলিয়ে দেয়। এটি তাদের ভালোবাসার স্মৃতি বহন করে চলে সারাজীবন, এমনকি মৃত্যুর পরও।

শুধু তাই নয়, এদিন গ্রামের পার্কে প্রেমিক প্রেমিকা বপন করে একটি প্রাকৃতিক গাছ, যার গায়ের নেমপ্লেটে লেখা থাকে তাদের নাম ও বপনের তারিখসহ নানা তথ্য। এই গাছও আমৃত্যু তাদের ভালোবাসার সাক্ষ্য বহন করে চলে।

এই গ্রামের প্রশাসনিক কার্যালয়, প্রতিটি রাস্তা, সাইনবোর্ড, দোকান-পাট, পার্ক, অফিস, মিডিয়া, লাইব্রেরিসহ সবকিছুতেই রয়েছে ভালোবাসার ছোঁয়া। এখানে ভালোবাসার গাছও রয়েছে যাতে ধরে হৃদয়ফল। তবে এটি খাওয়া যায় কিনা তা অবশ্য জানা যায়নি।

সূত্র: ইন্টারনেট

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • অালোচিত
close
close