ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০২০, ৮ মাঘ ১৪২৭ আপডেট : ১৯ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১২:৪১

প্রিন্ট

কাশ্মীরে আটক-ইন্টারনেট বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

কাশ্মীরে আটক-ইন্টারনেট বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

অনলাইন ডেস্ক

জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার পর দ্বিতীয় দফায় কাশ্মীরে মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ ১৬ দেশের কূটনীতিকদের ওই রাজ্যে ‘গাইডেড সফরে’ নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। মোদি সরকারের উদ্দেশ্য ছিলো বিদেশিদের বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কাশ্মীর সম্পর্কে ইতিবাচক সমর্থন পাওয়া। কিন্তু ভারতের সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আবারও উদ্বেগও প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতাদের আটকে রাখা এবং ওই অঞ্চলে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখার বিষয়গুলো খুবই আশঙ্কাজনক।

কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলের পর এর আগেও একাধিকবার সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

কাশ্মীরে আটক-নিষেধাজ্ঞায় উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র

ভারত সরকারের আমন্ত্রণে গত বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে দু দিনের গিয়েছিলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেনেথ জাস্টারসহ ষোলো দেশের মোট ১৭ জন প্রতিনিধি। যদিও এই দলে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোর কোনও প্রতিনিধি ছিলেন না।

তারা সেখানে গিয়ে তারা প্রশাসনের বাছাই করা রাজনীতিবিদ, সমাজের কিছু স্তরের মানুষ এবং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। এ কারণে এই সফরকে তখন অনেকে ভারত সরকারের ‘গাইডেড সফর’হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত সফর শেষে ফিরে গিয়ে কাশ্মীর পরিস্থিতি সম্পর্কে রিপোর্ট দিয়েছেন ওয়াশিংটনকে।

এই সফরের পরে মুখ খুলেছেন দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়া সংক্রান্ত মার্কিন সচিব অ্যালিস ওয়েলস-ও। তিনি বলেন, ‘মার্কিন দূতসহ বিভিন্ন প্রতিনিধির জম্মু ও কাশ্মীর সফরের দিকে আমরা নজর রেখেছিলাম। সেখানে রাজনীতিবিদদের এখনও আটকে রাখা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা নিয়ে আমরা এখনও উদ্বিগ্ন। আমরা কাশ্মীরে স্বাভাবিকতা ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছি।’

এদিকে রাইসিনা সংলাপের যোগ দিতে ১৫ তারিখ নয়াদিল্লিতে আসছেন অ্যালিস ওয়েলস। থাকবেন ১৮ তারিখ পর্যন্ত। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, সাউথ ব্লকের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। তার ঠিক পরেই দিল্লি থেকে ইসলামাবাদ যাবেন অ্যালিস। সেখানে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে বলে খবর। ফলে পাকিস্তানে যাওয়ার আগে ভারতের সঙ্গে মার্কিন বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন সরকার। গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল করার আগে এই ইস্যুটি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্রস্থতা করারও প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ প্রস্তাবকে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান স্বাগত জানালেও বিরক্ত প্রকাশ করেছিলো নয়াদিল্লি।

কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতায় আগ্রহী ট্রাম্প, ভারতের না

এমএ/

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত