ঢাকা, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ০৭:০০

প্রিন্ট

ইসলামে যেসব নারীকে বিয়ে করা নিষিদ্ধ

ইসলামে যেসব নারীকে বিয়ে করা নিষিদ্ধ
প্রতীকী ছবি
জার্নাল ডেস্ক

মানব জীবনে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ন্যায় জৈবিক চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ। এই চাহিদা পূরণের জন্য ইসলাম বিবাহের বিধান দিয়েছে।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম (আ.)-কে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন। পরবর্তী বংশ বৃদ্ধির জন্য হাওয়া (আ.)-কে সৃষ্টি করে আদম (আ.) এর সঙ্গে বিবাহের ব্যবস্থা করেন।

মানব জীবন প্রণালী পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিবাহের নিয়মেও পরিবর্তন ঘটেছে। অবশেষে শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.) জাহেলি যুগের সকল কুসংস্কার দূর করে নারীদেরকে বিবাহের মাধ্যমে মর্যাদা দান করেছেন।

তবে ইসলাম সব ধরনের নারীকে বিবাহের অনুমতি দেয়নি। এক নজরে দেখে নিন যাদের বিবাহ করা ইসলামে হারাম বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

১. আপন মা, বাবা ও দাদা-নানার স্ত্রীরা এবং তাদের কামভাব নিয়ে স্পর্শকৃত নারী। এরূপ ঊর্ধ্বতন সব দাদা-নানার স্ত্রীরা।

২. মেয়ে এবং ছেলে ও মেয়ের ঘরের সব নাতনি।

৩. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ফুফু।

৪. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় খালা।

৫. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় বোন ও তাদের সন্তানাদি।

৬. সহোদরা, বৈপিত্রেয়-বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃকন্যা ও তাদের সন্তানাদি।

৭. দুধমাতা, তার মাতা, দাদি, নানি—এমনিভাবে ওপরের সব নারী।

৮. স্ত্রীর মেয়ে, যদি স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস হয়ে থাকে।

৯. পুত্রবধূ, আপন ছেলের হোক বা দুধছেলের হোক।

১০. আপন শাশুড়ি, দাদিশাশুড়ি, নানিশাশুড়ি এবং ওপরে যারা রয়েছে।

১১. দুই বোন একত্রীকরণ, এমনিভাবে ফুফু ও তার ভাতৃকন্যা, খালা ও তার ভাগ্নিকন্যাকে একসঙ্গে বিয়ের মধ্যে রাখা।

১২. উল্লিখিত রক্ত সম্পর্কের কারণে যারা হারাম হয়েছে, দুধ সম্পর্কের কারণেও তারা সবাই হারাম হয়।

১৩. যে মেয়ে অপরের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অন্য সব নারীকে বিয়ে করা হালাল।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত