ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২০, ২১:২৪

প্রিন্ট

রায়পুরের ফিস হ্যাচারিতে উৎপাদনে নবজোয়ার

রায়পুরের ফিস হ্যাচারিতে উৎপাদনে নবজোয়ার
রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঐতিহ্যবাহী এশিয়ার সর্ববৃহৎ সরকারি মৎস প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি রেণুপোনা উৎপাদনে ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড অর্জন করেছে।

২০১৯ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৩২০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন প্রতিকূলতার মাঝেও এ রেকর্ড অর্জন করায় বিভাগীয় পর্যায়ে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।

প্রজনন কেন্দ্রটিতে নানা সঙ্কট রয়েছে। এরমধ্যে জনবল ৮২ জনের মধ্যে মাত্র ১৭ জন, সংস্কারের অভাবে অনেক পুকুর অনুপযোগী, প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় ৫টি গভীর নলকূপের মধ্যে ২টি মাত্র সচল।

এতো সমস্যা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান মজুমদারের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় এই উৎপাদন অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে জনবল ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের জন্য উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠিও দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

প্রসঙ্গত, ২০১৮-১৯ সালে এই প্রতিষ্ঠানটিতে ১ হাজার ৫০ কেজি ও প্রায় ৫০ লাখ কার্প জাতীয় মাছের পোনা উৎপাদিত হয়। এই মাছের রেণু বাংলাদেশের সর্বত্র বিক্রি হয়ে থাকে। বর্তমানে কৈ ও বিদেশি মাগুর মাছের রেণুর চাষ হচ্ছে। এখানে মাছের গুণগতমান উন্নত হওয়ার কারণে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

এই ফিসারির মাছ দ্রুত বাড়ে এবং অল্প সময় বেশি লাভ হওয়ার কারণে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির রেণুপোনা। বর্তমানে হ্যাচারিতে চায়না থেকে আমদানিকৃত চাইনিজ কার্প মাছের প্রজনন কার্যক্রম শুরু হবে। এতে করে অত্র এলাকার মৎস্য চাষিরা উপকৃত হবে।

এছাড়াও বায়োফ্লক পদ্ধিতে চাষ পরিক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। যার ফলে অত্র এলাকার বেকার যুবকেরা অনেক উপকৃত হবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত