ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২ কার্তিক ১৪২৭ আপডেট : ২ মিনিট আগে English

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:২৫

প্রিন্ট

ধূমপানে মগ্ন আনসার, সুযোগে বন্দির চম্পট!

ধূমপানে মগ্ন আনসার, সুযোগে বন্দির চম্পট!
প্রতীকী ছবি
যশোর প্রতিনিধি

যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের এক বন্দি কিশোর পলিয়ে গেছে। তার নাম রাজু বিশ্বাস (১৬)। সে ফরিদপুর উপজেলার বোয়ালমারি উপজেলার দেবতী নন্দপুর গ্রামের ওহাব বিশ্বাসের ছেলে।

সোমবার বেলা ১২টার দিকে হাসপাতালের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের আনসার প্লাটুন কমান্ডার অসিত বিশ্বাস জানিয়েছেন, রাজু গত রোববার কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের অন্য বন্দিদের দ্বারা মারপিটের শিকার হয়। সে কারণে সে অসুস্থ (বুকের ব্যথা) অনুভব করলে বেলা ১১টার দিকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রর একটি গাড়িতে করে তাকে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোলায়মান কবির তাকে করোনার কেয়ার ইউনিটে পাঠান। ওই ইউনিটের ডাক্তার নজির আহমেদ চিকিৎসা দেয়ার পর তাকে মাইক্রোবাসে উঠানো হয়। তখন হঠাৎ মাইক্রোবাসের দরজা খুলে রাজু পালিয়ে যায়। সাথে সাথে তিনি ও মাইক্রোবাসের চালক পারভেজ তার পিছু নেন। কিন্তু রাজুকে আটক করতে পারেননি।

পরে বিষয়টি সমাজেসবা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক জাকির হোসেনকে অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে জেলা পুলিশের একাধিক টিম হাসপাতালে আসেন এবং রাজুকে ধরারা জন্য অভিযান চালায়।

তিনি আরো জানিয়েছেন, রাজু বোয়ালমারি থানার একটি চুরি মামলার আসামি। কিছুদিন আগে তাকে বোমায়ারমারি থেকে যশোর কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে নেয়া হয়।

কিন্তু হাসপাতালের কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার পর রাজুকে গাড়িতে উঠানো হয়। কিন্তু তাকে নিয়ে আসা আনসার সদস্য অসিত বিশ্বাস চা পান করে গাড়ির কিছু দূরে দাঁড়িয়ে ধূমপান করছিলেন। এই সুযোগে আসামি রাজু গাড়ির গেট খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে তার পিছু নেয়া হলেও আটকাতে পারেননি।

এ বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক জাকির হোসেনের কাছে দুপুর আড়াইটার দিকে জানতে চাইলে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি এখন একটি অনলাইন মিটিং এ আছি। পরে এই বিষয়ে কথা বলবো।’

এই বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক অসিত কুমার সাহা জানিয়েছেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজ খবর না পাওয়া পর্যন্ত কিছু বলা যাবে না।’

এ বিষয়ে কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ তাসমীম আলম জানিয়েছেন, কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের এক বন্দি কিশোর হাসপাতালে থেকে আনসার সদস্যের হেফাজত থেকে পালিয়েছে বলে শুনেছি। এই বিষয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তর বা ওই উন্নয়ন কেন্দ্রের দায়িত্বশীল কোন কর্মকর্তা পুলিশে কোন অভিযোগ করেননি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত